📌 জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেবে না জনগণ। তিনি দলটিকে দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং শেখ হাসিনা-নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ের দুর্নীতির ঘটনাগুলো উল্লেখ করেছেন
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের জনগণ আর কখনো রাজনীতি করতে দেবেনা বলে সতর্ক করেছেন। তিনি দলটিকে দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করে বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতারা দেশের সম্পদ লুটপাটের মাধ্যমে বিদেশে বিপুল সম্পদ জমা করেছেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত বিএনপির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হাফিজ উদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেবে না জনগণ এবং দলটিকে দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, আওয়ামী লীগের এমপি ও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে বিদেশে লুটপাটের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ জমা করার অভিযোগ রয়েছে
- 📌 ফ্যাসিস্ট সরকারের এক প্রতিমন্ত্রীর বিদেশে দুই শতাধিক বাড়ি থাকার তথ্য উদ্ধৃত করেছেন স্পিকার
- 📌 ২০০১ সালের নির্বাচনে তজুমদ্দিন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য শেখ হাসিনা সন্ত্রাসীকে প্রেরণ করেছিলেন বলে দাবি করেছেন
- 📌 সন্ত্রাসী দুর্নীতির মাধ্যমে ঢাকায় একাধিক বাড়ি ও লালমোহনে ৫০০ বিঘা জমি অর্জন করেছিলেন, কিন্তু ৫ আগস্টের পর সেসব সম্পদ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন
- 📌 স্পিকার ঘোষণা করেছেন, তজুমদ্দিন উপজেলাকে পৌরসভায় রূপান্তর করা হবে এবং মেঘনার পাড়ে একটি পার্ক নির্মাণ করা হবে
- 📌 তিনি সন্ত্রাসীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ১০:৫৬ মিনিটে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্পিকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিএনপির তজুমদ্দিন উপজেলা সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টুর সভাপতিত্ব করেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্তু সঞ্চালনা করেন। উপস্থিত ছিলেন জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা ২০০১ সালের নির্বাচনে নিজ নির্বাচনী এলাকায় অন্যায়ভাবে সন্ত্রাসীকে প্রার্থী হিসেবে নাম দিয়েছিলেন। সেই সন্ত্রাসী দুর্নীতির মাধ্যমে ঢাকায় একাধিক বাড়ি ও লালমোহনে ৫০০ বিঘা জমি অর্জন করেছিলেন। তবে ৫ আগস্টের পর সেসব সম্পদ ছেড়ে সপরিবারে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, শেখ হাসিনা-নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগের এমপি ও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে লুটপাটের মাধ্যমে বিদেশে বিপুল সম্পদ জমা করার অভিযোগ রয়েছে।
স্পিকার আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের এক প্রতিমন্ত্রীর বিদেশে দুই শতাধিক বাড়ি থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি তজুমদ্দিন উপজেলার উন্নয়নের আশ্বাস দেন এবং ঘোষণা করেন, উপজেলাকে পৌরসভায় রূপান্তর করা হবে। এছাড়াও মেঘনার পাড়ে একটি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন তিনি।
স্পিকার সন্ত্রাসীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করে দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ আর আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে দেবেনা।
"আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় বসেছিল দেশের সম্পদ লুটপাট করতে। দলটির এমপি-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে লুটপাটের মাধ্যমে বিদেশে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ হলরুম, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম (স্পিকার), গোলাম মোস্তফা মিন্টুর (বিএনপি সভাপতি), ওমর আসাদ রিন্তু (বিএনপি সাধারণ সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ বিঘা জমি, ২১ অক্টোবর, ১০:৫৬ পিএম, ৫ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!