📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাইবার আইন সংশোধনে সাংবাদিকদের সতর্কবার্তা: সরকারের সমালোচনা বন্ধ করলে ক্ষতি হবে নিজেরই

সাইবার আইন সংশোধনে সাংবাদিকদের সতর্কবার্তা: সরকারের সমালোচনা বন্ধ করলে ক্ষতি হবে নিজেরই

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী বলেছেন, সাইবার সুরক্ষা আইনে সংবাদমাধ্যম বন্ধের সুযোগ রাখলে সরকারের নিজের ক্ষতি হবে। তিনি সরকারকে সাংবাদিকদের হাত বাঁধতে না বলার আহ্বান জানিয়েছেন এবং আইন প্রণয়নে রাজনৈতিক প্রভাবের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন

রাজধানী ঢাকায় সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের প্রস্তাব নিয়ে গোলটেবিল বৈঠকে নোয়াব সভাপতি ও মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী সরকারকে সাংবাদিকদের হাত বাঁধতে না বলার সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘দয়া করে আমাদের হাত বাঁধবেন না। হাত বেঁধে দিলে আপনার ক্ষতি হবে। আমি আর আপনার জন্য লিখতে পারব না। একদিন আবার আমাদের কাছে আসতে হবে আপনাকে’।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮ অক্টোবর ঢাকার টিআইবি কার্যালয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের বৈঠকে নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী সরকারকে সাংবাদিকদের হাত বাঁধতে না বলার আহ্বান জানান
  • 📌 তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক সমাজে সরকারের সমালোচনা অবশ্যই থাকতে হবে। এই দু’টিকে (সমালোচনা ও সাইবার অপরাধ) আলাদা না করলে বিপদে পড়বেন’
  • 📌 প্রস্তাবিত আইনে সংবাদমাধ্যম বন্ধের সুযোগ রাখা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মতিউর রহমান বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে স্থানীয় নেতাদের ফোনেই গ্রেফতার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে’
  • 📌 তিনি আইন প্রণয়নে সমাজের সর্বস্তরের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি তোলেন

📰 বিস্তারিত

টিআইবি, ব্র্যাক, ব্লাস্ট, মহিলা পরিষদসহ মোট ১৯টি সংগঠনের আয়োজিত বৈঠকে মতিউর রহমান চৌধুরী বলেছেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীতে ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। এই কারণে ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে আইন প্রণয়ন করা উচিত’। তিনি সরকারের সমালোচনা ও সাইবার অপরাধকে আলাদা করার দাবি তোলেন।

বৈঠকে অংশ নেওয়া ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, ডেইলি ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম, অনলাইন এডিটর্স ফোরামের আহ্বায়ক শরিফুজ্জামান পিন্টু এবং টেক গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের বাংলাদেশ প্রধান ফৌজিয়া আফরোজও উপস্থিত ছিলেন। মতিউর রহমান চৌধুরী আইনের প্রয়োগে রাজনৈতিক প্রভাবের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, ‘আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবের ঝুঁকি রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ের ক্ষমতাসীন দলের নেতার ফোনেই কাউকে গ্রেফতারের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে’।

বৈঠকে তিনি জেলা জেলায় আইন নিয়ে আলোচনা এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মতামত নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আইন প্রণয়নের জন্য গঠিত কমিটিতে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার কথা বলেন।

"আপনার জন্য কিন্তু আমি আর লিখতে পারব না। আপনাকে একদিন আমাদের কাছে আবার আসতে হবে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মতিউর রহমান চৌধুরী (নোয়াব সভাপতি ও মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯টি সংগঠন, ১৮ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖