📌 প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, চাকরির ভেরিফিকেশনে ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে নিষিদ্ধ দলের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এমন অধিকাংশ ব্যক্তিই শিবিরের সদস্য। তিনি বলেছেন, শিবিরের সদস্যরা ছাত্রলীগের ছদ্মবেশে চাকরি পাচ্ছে এবং প্রশাসনকে তাদের পার্থক্য বুঝতে বেগ পেতে হচ্ছে
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান দাবি করেছেন, চাকরির ভেরিফিকেশনে ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে নিষিদ্ধ দলের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এমন অধিকাংশ ব্যক্তিই শিবিরের সদস্য। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি স্ট্যাটাসে এই তথ্য তুলে ধরেছেন এবং প্রশাসনের সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাশেদ খান বলেছেন, ভেরিফিকেশনে ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে নিষিদ্ধ দলের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এমন অধিকাংশ ব্যক্তিই শিবিরের সদস্য
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, শিবিরের সদস্যরা ছাত্রলীগের ছদ্মবেশে চাকরি পাচ্ছে এবং প্রশাসনকে তাদের পার্থক্য বুঝতে বেগ পেতে হচ্ছে
- 📌 রাশেদ খান বলেছেন, শিবিরের সদস্যরা ছাত্রলীগের ছদ্মবেশে নিষিদ্ধ দলের সদস্য হিসেবে চাকরিতে ঢুকতে চেষ্টা করছে
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, পুলিশ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গেলে শিবিরের সদস্যরা তাদেরকে ছাত্রলীগের সদস্য বলে দাবি করে বাধা সৃষ্টি করছে
📰 বিস্তারিত
রাশেদ খান তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন যে, ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং শেখ হাসিনার হত্যার প্রতিবাদে জনগণ যদি রাস্তায় না নামত, তাহলে শিবিরের সদস্যরা ছাত্রলীগের বড় বড় পদ বাগিয়ে নিতে প্রস্তুত ছিল। তিনি উল্লেখ করেছেন, শিবিরের সদস্যরা ছাত্রলীগের ছদ্মবেশে গণভবন দখলের নকশা তৈরি করেছিল।
রাশেদ খান বলেছেন, ‘আমরা যে সময় আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে মিছিল করেছি, ডাকসুর বর্তমান ভিপি সাদিক কায়েম সে সময় ছাত্রলীগের হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিছিল করেছে। শিবির তকমা দিয়ে আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হলো, কিন্তু একজন শিবির নেতা সেই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ পর্যন্ত করেনি।’
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ‘অথচ এরা নাকি গণভবন দখলের সব নকশা রেডি করে ফেলেছিল। ২০২৪ সালে পুনরায় কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু না হলে এবং শেখ হাসিনার হত্যার প্রতিবাদে জনগণ রাস্তায় না নামলে এরা ছাত্রলীগের বড় বড় পদ বাগিয়ে নিতে রেডি ছিল!’
রাশেদ খান বলেছেন, ‘বিশেষ করে চাকরির ভেরিফিকেশনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সম্পৃক্ততার তথ্য যাদের বিরুদ্ধে উঠে আসছে, এরা অধিকাংশই শিবির। এ জন্য কে শিবির এবং কে ছাত্রলীগ সেই পার্থক্য খুঁজে বের করতে প্রশাসনকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। কারণ কেউ শিবির (ছাত্রলীগ) হলে তাকে ভেরিফিকেশন থেকে বাদ দিলে যেমন ঝামেলা, আবার প্রকৃত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেউ চাকরিতে ঢুকে পড়লে জনগণ আবার সেটি মানবে না।’
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ‘পুলিশ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গেলেও তার বিষয়ে নানা জায়গা থেকে তদবির আসছে যে, সে তো কায়দা করে বেঁচে থাকার জন্য ছাত্রলীগে ঢুকেছিল, সে প্রকৃতপক্ষে আমাদের লোক মানে শিবির!’
"আমরা যে সময় আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে মিছিল করেছি, ডাকসুর বর্তমান ভিপি সাদিক কায়েম সে সময় ছাত্রলীগের হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিছিল করেছে! শিবির তকমা দিয়ে আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হলো, কিন্তু একজন শিবির নেতা সেই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ পর্যন্ত করেনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক স্ট্যাটাস)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশেদ খান (প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ অক্টোবর, ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!