📌 প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের গাদ্দারি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি ফেসবুকে পোস্টে উল্লেখ করেছেন, হাসনাত ও সারজিসের বিভিন্ন অজুহাতের পর্দা উঠছে যা গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে খুঁজে পাওয়া যাবে
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের গাদ্দারি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) তার ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে এই দুই ব্যক্তির গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে। রাশেদ খাঁন বলেছেন, হাসনাত আব্দুল্লাহকে সমন্বয়করা 'হাসিনার আব্দুল্লাহ' ডাকার সূত্রপাত হয় ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে শহীদের জন্য আয়োজিত গায়েবানা জানাজা ও কর্মসূচিতে নারী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে রিফাত রশিদের লিখিত প্রতিবাদলিপির মাধ্যমে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন গাদ্দারি করেছেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
- 📌 ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদের জন্য আয়োজিত গায়েবানা জানাজায় নারী শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে রিফাত রশিদের প্রতিবাদলিপি পর্যালোচনা করার সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ ডিজিএফআইর পরামর্শে লিখেছিলেন, 'আলোচনার দরজা খোলা আছে'।
- 📌 ১০ জুলাই হাইকোর্টের কোটা রায়ের পর ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করার জন্য হাসনাত ও সারজিস ড. আব্দুর রহিম স্যারর সাথে বসে ডিজিএফআইর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রেস নোট তৈরি করেছিলেন।
- 📌 ১৯ জুলাই শহীদের রক্ত মারিয়ে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক করার পর হাসনাত ও সারজিস ডিজিএফআইর গাড়িতে ঘুরে বেড়ান এবং পুকুরপাড়ে বসে জুস খান।
- 📌 ৬১ দিন গুম থাকা সালাউদ্দিন আহমেদকে হাসিনার আব্দুল্লাহ শুধুমাত্র 'সালাউদ্দিন' বলে সম্বোধন করে এবং বিএনপির বিচার সম্পর্কে মন্তব্য করার সময় তার প্রতি অপমানজনক ভাষা ব্যবহার করেছিলেন।
📰 বিস্তারিত
রাশেদ খাঁন তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেছেন, হাসনাত আব্দুল্লাহকে সমন্বয়করা 'হাসিনার আব্দুল্লাহ' ডাকার সূত্রপাত হয় ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে শহীদের জন্য আয়োজিত গায়েবানা জানাজা ও কর্মসূচিতে নারী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে রিফাত রশিদের লিখিত প্রতিবাদলিপির মাধ্যমে। তিনি বলেছেন, ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রতিবাদলিপির শেষে যুক্ত করেছিলেন 'আলোচনার দরজা খোলা আছে'। এমনকি সমন্বয়কদের সাথে আলোচনা না করেই তিনি তা ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন।
রাশেদ খাঁন আরও উল্লেখ করেছেন, ১০ জুলাই হাইকোর্টের কোটা রায়ের পর ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন সহকারী প্রক্টর ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুর রহিম স্যারর সাথে বসে হাসনাত ও সারজিস ডিজিএফআইর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রেস নোট তৈরি করেছিলেন। তবে শাহবাগে উপস্থিত হওয়ার পর অন্যান্য সমন্বয়করা রাজি না হওয়ায় তারা আন্দোলন স্থগিত ঘোষণার মতো সাহস দেখাতে পারেননি।
১৯ জুলাই শহীদের রক্ত মারিয়ে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক করার পর হাসনাত ও সারজিস ডিজিএফআইর গাড়িতে ঘুরে বেড়ান এবং পুকুরপাড়ে বসে জুস খান। রাশেদ খাঁন বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে এই দুই ব্যক্তির গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ৬১ দিন গুম থাকা সালাউদ্দিন আহমেদকে হাসিনার আব্দুল্লাহ শুধুমাত্র 'সালাউদ্দিন' বলে সম্বোধন করে এবং বিএনপির বিচার সম্পর্কে মন্তব্য করার সময় তার প্রতি অপমানজনক ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। তিনি বলেছেন, এই ধরনের আচরণ শেখ হাসিনার পতনের ক্ষোভ থেকে উদ্ভূত এবং শেখ হাসিনার দ্বারা গুম হওয়া একজন নেতা সম্পর্কে তাদের আক্রোশ লালন করার চেষ্টা।
"হাসনাত আব্দুল্লাহকে সমন্বয়করা হাসিনার আব্দুল্লাহ ডাকার সূত্রপাত হয়, ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আবু সাইদ, ওয়াসিম আকরামসহ ৬ জন শহীদের জন্য আয়োজিত গায়েবানা জানাজা ও কর্মসূচিতে নারী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে রিফাত রশিদ একটা প্রতিবাদলিপি লিখে হাসনাত আব্দুল্লাহকে চেক করার জন্য দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশেদ খাঁন, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম, সালাউদ্দিন আহমেদ, ড. আব্দুর রহিম স্যার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ জুলাই, ৬ জন শহীদ, ১০ জুলাই, ৩ দিনের আল্টিমেটাম, ১৯ জুলাই, ৬১ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!