📌 প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান দাবি করেছেন, জামায়াতের অনুমোদনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। তিনি বলেছেন, এনসিপিকে ‘প্রক্সি জামায়াত পার্টি’ বলা ভুল হবে না এবং দলের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচয় হারিয়ে ফেলেছে
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান জামায়াতের অনুমোদনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এনসিপিকে বর্তমানে ‘প্রক্সি জামায়াত পার্টি’ বলা ভুল হবে না। শুক্রবার তার ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেছেন, দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং নেতৃত্বের অক্ষমতার কারণে নতুন কমিটি জামায়াতের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাশেদ খান দাবি করেছেন, এনসিপির নতুন কমিটি জামায়াতের অনুমোদনে গঠিত হয়েছে এবং দলের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচয় হারিয়ে ফেলেছে।
- 📌 তিনি বলেছেন, জামায়াত যাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে চায়নি, তাদেরকে কমিটিতে অগুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়েছে।
- 📌 নতুন কমিটিতে ছাগলচোর, ল্যাপটপ চোর, নারী ও আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শীর্ষ পদে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রাশেদের।
- 📌 রাশেদ খান বলেছেন, এনসিপির নাহিদ ইসলাম ও আখতার হোসেনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে নতুন কমিটি জামায়াতের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে।
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, এনসিপি জামায়াতের যুব শাখা হয়ে উঠেছে এবং দলের আর কোনো স্বতন্ত্র রাজনৈতিক সুযোগ নেই।
📰 বিস্তারিত
রাশেদ খান তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেছেন, নতুন কমিটি গঠনের পিছনে জামায়াতের হাত রয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘অনেক আশা জাগিয়ে নতুন বন্দোবস্তের স্বপ্ন দেখানো এনসিপির কোনো ধরনের কাউন্সিল ছাড়াই নতুন কমিটি হয়েছে। যারা সারাদিন গণতন্ত্রের বুলি আউড়ায় ও বিএনপির রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তারা একটি কাউন্সিল পর্যন্ত করে কমিটি দিতে পারল না। এর থেকে বড় লজ্জা আর কি হতে পারে?’
রাশেদ খান আরও বলেছেন, ‘যতটুকু তথ্য পেয়েছি, জামায়াতের অনুমোদনে এনসিপির এই নতুন কমিটি হয়েছে। অর্থাৎ জামায়াত যাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ পদে চায়নি, কমিটিতে তাদেরকে অগুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রাখা হয়েছে। বিশেষ করে এনসিপির মধ্যে যারা স্বতন্ত্র রাজনীতির স্বপ্ন দেখে কিংবা জামায়াতবিরোধী, কমিটিতে তাদের পদাবনতি হয়েছে।’
তিনি দাবি করেছেন, নতুন কমিটিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের শীর্ষে পদে রাখা হয়েছে। রাশেদ খান বলেছেন, ‘এনসিপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুই বারের বেশি কেউ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হতে পারবেন না। দেখা যাক, নাহিদ ইসলাম ও আখতার হোসেনের এই মেয়াদই শেষ মেয়াদ হয় কি না। নাকি নতুন বন্দোবস্তের নামে নতুন ভণ্ডবস্তের পথেই এগোবে এনসিপি।’
"নতুন কমিটির ফরমেট দেখে মনে হলো, কিছু আসন ও আসন প্রতি নির্বাচনী খরচের বিনিময়ে এনসিপি পুরোপুরি জামায়াতের কাছে বিক্রি হয়ে গেল। বাংলাদেশে এনসিপির আর কোনো স্বতন্ত্র রাজনীতি করার ন্যূনতম সুযোগ রইল না। এনসিপিকে বর্তমানে প্রক্সি জামায়াত পার্টি বললেও আর ভুল হবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশেদ খান, নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (দুই বারের বেশি সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে আসা নিষিদ্ধ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!