📌 রংপুর-৩ আসনের এমপি মাহবুবুর রহমান জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, ‘আমাকে লাটসাহেব মনে করছে, জনগণকে ঘেরাও করব না’। তিনি প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স না মানা, সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও এমপিদের প্রতিনিধি না রাখার অভিযোগ তুলেছেন
রংপুর জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় তীব্র সমালোচনা করে বক্তব্য দিয়েছেন রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মাহবুবুর রহমান। তিনি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘আপনারা আমাকে লাটসাহেব মনে করছে, আমাকে বাধ্য করবেন না থানা বা ডিসি অফিস ঘেরাও করার জন্য। আমি ভদ্র লোক, কিন্তু অভদ্র হতে বাধ্য করবেন না। জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, তাই প্রশাসন আমাকে সম্মান জানাতে হবে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুর-৩ আসনের এমপি মাহবুবুর রহমান জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, ‘আপনারা এমপিকে পাত্তা দিচ্ছেন না, হোয়াই? হোয়াই?’
- 📌 তিনি প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স না মানা, সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও এমপিদের প্রতিনিধি না রাখার অভিযোগ তুলেছেন।
- 📌 মাহবুবুর রহমান বলেছেন, ‘একই পরিবারের তিনজন সারের ডিলারশিপ পেয়েছে, যা অনিয়ম। জনগণ অসন্তুষ্ট, আমি তাদের জবাবদিহি দিতে পারছি না’।
- 📌 তিনি সভাটি পুনর্নির্ধারণ করে প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
- 📌 জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান সভাপতিত্ব করেছেন, কিন্তু মহানগর পুলিশ কমিশনার ও সিটি প্রশাসক উপস্থিত ছিলেন না।
📰 বিস্তারিত
রংপুর জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় রংপুর-৩ আসনের এমপি মাহবুবুর রহমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাকে বাধ্য করবেন না থানা ঘেরাওয়ের জন্য, আমাকে বাধ্য করবেন না ডিসি অফিস ঘেরাওয়ের জন্য। পরিষ্কার বললাম। আমি ভদ্র লোক, কিন্তু অভদ্র হতে বাধ্য করবেন না।’ মাহবুবুর রহমানের বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে তিনি চিৎকারের সুরে বলেছেন, ‘আপনারা এমপিকে পাত্তা দিচ্ছেন না? কী মনে করেন, আমরা আসমান থেকে আসছি? আমি জনগণের প্রতিনিধি, তাদের ভোট দিয়েছে আমাকে। আপনারা আমাকে সম্মান জানাতে পারেন না কেন?’
সভায় মাহবুবুর রহমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স না মানা, বিভিন্ন কমিটিতে এমপিদের প্রতিনিধি না রাখা, সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম এবং একটি দলের প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সব ডিলার একই দল থেকে দেওয়া হয়েছে। যদি তা-ই হয়, তাহলে অন্যদেরকে আবেদন করালেন কেন? প্রকৃত ব্যবসায়ীরা বঞ্চিত হলো কেন?’ তিনি অভিযোগ করেছেন, একই পরিবারের তিনজন সারের ডিলারশিপ পেয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এ রকম ঘটনা ইতিপূর্বে ঘটছে বলে আমি মনে করি না। জনগণের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে, আমি তাদের জবাবদিহি দিতে পারছি না।’
মাহবুবুর রহমান বলেছেন, ‘পাবলিক অত বোকা আর নাই। পুলিশকে, র্যাবকে ভয় পায় না, তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য। যদি পাবলিক খেপে যায়, তাহলে সেই খ্যাপানো আপনারা থামাতে পারবেন না। সেই ক্ষমতা কারও নাই।’ তিনি সভাটি পুনর্নির্ধারণ করে প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘সিটি নিয়ে আলোচনা হবে; সিটি প্রশাসক নাই, মেয়র নাই, এ তো হতে পারে না! তাঁরা আসবেন না কেন, আমার মাথায় ঢোকে না। এমপিরা যদি থাকতে পারেন, হোয়াই নট প্রশাসক? হোয়াই নট মেয়র? হোয়াই নট পুলিশ কমিশনার?’
"আমি বুঝি না, কেন তাঁরা আমাদের চেয়েও সুপেরিওর। রুল অব প্রিসিডেন্স, আমি থাকব ওরা থাকবে না কেন? ওরা কি বড় লাটসাহেব হয়ে গেছে? নিজেকে লাটসাহেব ভাববেন না। ইউ আর দ্য সার্ভেন্ট অব দ্য পিপল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুবুর রহমান (রংপুর-৩ এমপি), জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: রংপুর-৩ (এমপির আসন), রংপুর-১, রংপুর-৫, রংপুর-৬ (অন্যান্য এমপির আসন), ১০ থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড (রংপুর সদর ও সিটি করপোরেশন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!