📌 রংপুর-১ আসনের জামায়াত এমপি রায়হান সিরাজী সার ডিলার নিয়োগে সরকারি কমিটির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, ডিলার নিয়োগে ‘পৃথিবীর নিকৃষ্টতম দলীয়করণ’ হয়েছে এবং সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তার কথা মেনে নেননি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি
রংপুর-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সরকারি কমিটির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, গঙ্গাচড়া উপজেলায় সার ডিলার নিয়োগে ‘পৃথিবীর নিকৃষ্টতম দলীয়করণ’ হয়েছে এবং সরকারের ঘোষিত নীতিমালা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে। সাংবাদিকদের কাছে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমরা বলেছিলাম যে আমি ৩ লাখ ৭৫ হাজার ভোটারের এমপি। আমার একজন প্রতিনিধি রাখেন, একজন পেশাদার ব্যবসায়ী রাখেন, সরকারদলীয় একজন রাখেন। কিন্তু তারা আমার কথা রাখলেন না। তারা তাদের নিজস্ব কথা রাখলেন—‘ওপরের চাপ’ বলে কমিটিতে রাখা যাবে না বলে দাবি করা হয়েছে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুর-১ এমপি রায়হান সিরাজী দাবি করেছেন, সার ডিলার নিয়োগে ‘বানরের পিঠা ভাগা’ হয়েছে এবং সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করা হয়েছে।
- 📌 তিনি বলেছেন, ‘ওপরের চাপ’ বলে ডিলার নিয়োগ কমিটিতে তার মনোনীত তিনজনকে রাখা হয়নি।
- 📌 গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. জেসমিন আক্তার জানিয়েছেন, এমপি তার উদ্দেশ্যে এমন কোনো কথা বলেননি।
- 📌 কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৭ অক্টোবর স্বাক্ষরিত তালিকায় অনুমোদিত আবেদনকারীদের অস্থায়ী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
- 📌 রায়হান সিরাজী দাবি করেছেন, কোলকোন্দ ও নোহালী ইউনিয়নের চরাঞ্চলের মানুষের সার সংগ্রহের দুর্ভোগ বিবেচনা করা হয়নি।
📰 বিস্তারিত
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় সার ডিলার নিয়োগে দলীয় বিবেচনা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে রায়হান সিরাজী সাংবাদিকদের কাছে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সার ডিলার নিয়োগের যাচাই–বাছাই কমিটিতে তিনজন মনোনীত ছিলেন—তিনি নিজে, একজন পেশাদার ব্যবসায়ী এবং একজন সরকারদলীয় ব্যক্তি। কিন্তু ইউএনও তাদের কথা মেনে নেননি। তিনি বলেন, ‘উনি আমার কথা রাখলেন না। উনি রাখলেন তার কথা—‘ওপরের চাপ’ বলে কমিটিতে রাখা যাবে না বলে দাবি করা হয়েছে।’
রায়হান সিরাজী আরও বলেছেন, ‘নতুন সার ডিলার নিয়োগে গঙ্গাচড়ায় সবার আগে বিএনপি প্রমাণিত হয়েছে। সরকার ঘোষণা দিয়েছিল সবার আগে বাংলাদেশ, কিন্তু এই সার ডিলার নিয়োগে গঙ্গাচড়ায় সবার আগে বিএনপি প্রমাণিত হয়েছে।’ তিনি দাবি করেছেন, সরকারি নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে বানরের পিঠা ভাগ হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৭ অক্টোবর স্বাক্ষরিত তালিকায় জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে অনুমোদিত আবেদনকারীদের অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে বলা হয়েছে। এই তালিকায় কৃষি অর্থনীতিবিদ শাহনাজ আক্তারের স্বাক্ষর রয়েছে।
রায়হান সিরাজী দাবি করেছেন, কোলকোন্দ ইউনিয়নের চরাঞ্চলের তিনটি ওয়ার্ড ও নোহালী ইউনিয়নের চরাঞ্চলের মানুষের সার সংগ্রহের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে ওই দুই ইউনিয়নে যোগ্য আবেদনকারীদের মধ্য থেকে ডিলার নিয়োগের অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তা উপেক্ষা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. জেসমিন আক্তার জানিয়েছেন, ‘এমপি মহোদয় আমাকে উদ্দেশে যেসব কথা বলেছেন, এমন কোনো কথা তিনি আমাকে বলেননি।’
"আমরা বলেছিলাম যে আমি ৩ লাখ ৭৫ হাজার ভোটারের এমপি। আমার একজন প্রতিনিধি রাখেন, একজন পেশাদার ব্যবসায়ী রাখেন, সরকারদলীয় একজন রাখেন। উনি আমার কথা রাখলেন না। উনি রাখলেন তার কথা—‘ওপরের চাপ’ বলে কমিটিতে রাখা যাবে না বলে দাবি করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গঙ্গাচড়া উপজেলা, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রায়হান সিরাজী (রংপুর-১ এমপি), মোছা. জেসমিন আক্তার (ইউএনও), রুবেল হুসেন (কৃষি কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ ৭৫ হাজার ভোটার, ৭ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!