📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার পদবাণিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রমাণ চাইছেন। তিনি ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছেন প্রমাণের জন্য এবং প্রমাণিত হলে রাজনীতি ছেড়ে দেবার ঘোষণা দিয়েছেন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার পদবাণিজ্য ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আপত্তিকর অভিযোগের প্রমাণ চাইছেন। তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগের প্রমাণ দিতে বাংলাদেশের শিবির ও পাকিস্তান শিবিরসহ সবার প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সালাহউদ্দিন আম্মার ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছেন পদবাণিজ্য ও চাঁদাবাজির প্রমাণের জন্য
- 📌 তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, প্রমাণিত হলে রাজনীতি ছেড়ে দেবেন
- 📌 শিবিরের তিনটি চিঠিতে তার বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলন ও অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ ছিল
- 📌 তিনি অভিযোগের প্রমাণ চাইছেন, অভিযোগের কথা শুধু মুখে বলা যাবে না
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে সালাহউদ্দিন আম্মার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুটি পৃথক স্ট্যাটাসে চ্যালেঞ্জের কথা জানান। প্রথম স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘গোটা বাংলাদেশের শিবির (সহ পাকিস্তান শিবির)-এর প্রতি চ্যালেঞ্জ-০১। আমি টাকার বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ দিয়েছি, প্রমাণ দেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাহস থাকলে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। ০১টা পদবাণিজ্যের প্রমাণ দেখান।’
দ্বিতীয় স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ‘চাঁদাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। বিভিন্ন মাধ্যমে এই অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ অবস্থায় দেশের গোয়েন্দা সংস্থা, শিবির, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আমার আহ্বান, তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ থাকলে ভুক্তভোগীকে সামনে এনে সুস্পষ্ট ও প্রমাণযোগ্য তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ করা হোক।’
তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে চ্যালেঞ্জ করছি—প্রমাণ করুন যে আমি কারও কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছি। যদি কেউ নির্ভরযোগ্য প্রমাণসহ প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছি। অভিযোগ নয়, প্রমাণ দিন।’
এই ঘটনার আগে শিবিরের তিনটি চিঠিতে সালাহউদ্দিন আম্মারের সাথী পদ স্থগিত ও পরে বাতিলের তথ্য প্রকাশ্যে আসে। এসব চিঠিতে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নৈতিক পদস্খলন, নারীদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। শিবিরের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল।
"আমি টাকার বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ দিয়েছি, প্রমাণ দেন। যেহেতু মিথ্যা অপপ্রচার করেন আপনারা, আপনাদের প্যাডে মানুষকে নিয়ে—এটা মুনাফেকির চরম পর্যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন আম্মার (রাকসুর জিএস)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা (প্রমাণের সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!