📌 রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে বাবার মুক্তির আকুতি দেন বিএনপি নেতা মাহাবুর রশিদ রেন্টুর দুই মেয়ে। প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন তাদের পাশে দাঁড়িয়ে পরিবারকে আর্থিক ও আইনি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন
রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে বাবার মুক্তির আকুতি দেন বিএনপি নেতা মাহাবুর রশিদ রেন্টুর দুই মেয়ে। বাবার মুক্তির আবেদনপত্র নিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ানোর পর নিরাপত্তা কর্মীরা বাধা দিলেও মেয়েদের আকুতি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি তাদের আর্থিক ও আইনি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে বাবার মুক্তির আকুতি দেন বিএনপি নেতা মাহাবুর রশিদ রেন্টুর দুই মেয়ে জারিন তাসনিম রাহি ও সাদিয়া তাহমিন মাহি।
- 📌 মেয়েদের হাতে ছিল বাবার মুক্তির আবেদনপত্র। নিরাপত্তা কর্মীরা বাধা দিলেও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হন তারা।
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন পরিবারের পাশে দাঁড়ান এবং বাবার মুক্তির জন্য আইনি সহযোগিতা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন।
- 📌 মাহাবুর রশিদ রেন্টু ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। ২০১০ সালের ১৫ মার্চ রাজশাহীতে এক হত্যা মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
- 📌 মেয়েদের দাবি, রাজনৈতিক কারণে বাবাকে হত্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি গুরুতর অসুস্থ।
📰 বিস্তারিত
গত মঙ্গলবার রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনের সময় রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুর রশিদ রেন্টুর দুই মেয়ে জারিন তাসনিম রাহি ও সাদিয়া তাহমিন মাহি বাবার মুক্তির আকুতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির সামনে দাঁড়ান। তাঁদের হাতে ছিল বাবার মুক্তির আবেদনপত্র। নিরাপত্তা কর্মীদের বাধা সত্ত্বেও মেয়েদের আকুতি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি বাবার মুক্তির জন্য আইনি সহযোগিতা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন।
আজ বুধবার প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন নগর ভবনে মাহাবুর রশিদ রেন্টুর স্ত্রী সৈয়দা দিলরুবা আফরোজ এবং তাঁদের দুই মেয়েকে ডেকে নেন। এ সময় প্রশাসক পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেন এবং বাবার মুক্তির জন্য আইনি সহযোগিতা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন।
মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে কারাবন্দী বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছি। পরিবারের একজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেব। কারাগারে তাঁর আইনগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং আইনি বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।’
মাহাবুর রশিদের মেয়ে জারিন তাসনিম রাহি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে সিটি প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের সঙ্গে দেখা করতে বলেছেন এবং তাঁকে দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রশাসক আমাদের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। বাবার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে যতটা সম্ভব ভালো রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেছেন।’
"প্রধানমন্ত্রী আমাকে কারাবন্দী নেতার পরিবারের পাশে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। পরিবারের একজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী, বাগমারা উপজেলা, রাজশাহী সিটি করপোরেশন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মাহাবুর রশিদ রেন্টু, জারিন তাসনিম রাহি, সাদিয়া তাহমিন মাহি, মাহফুজুর রহমান রিটন, সৈয়দা দিলরুবা আফরোজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ মার্চ ২০১০, ১৫ জন আসামি, ১২ অক্টোবর ২০২১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!