📌 রাড্ডা-এমসিএইচ-এফপি ক্লিনিক ভাঙচুরে জড়িতদের গ্রেফতার না হলে সাত দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন জামায়াতের সেলিম উদ্দিন ও আরমান এমপি। তারা দাবি করেছেন, নেপথ্যের মদদদাতাদের নাম প্রকাশ করতে হবে এবং ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন
ঢাকা: রাড্ডা হাসপাতালের ভাঙচুর ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার না হলে নাগরিক কর্মসূচি ঘোষণা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য বিন কাসেম আরমান। তারা সাত দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে চারটায় মিরপুরের রাড্ডা সেন্টারে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে এই ঘোষণা দেন তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাত দিনের আলটিমেটাম: রাড্ডা হাসপাতাল ভাঙচুরে জড়িতদের গ্রেফতার না হলে নাগরিক কর্মসূচি ঘোষণা করার হুঁশিয়ারি দেন সেলিম উদ্দিন ও আরমান এমপি
- 📌 মদদদাতাদের নাম প্রকাশ: সেলিম উদ্দিন বলেন, নেপথ্যের মদদদাতাদের নাম পরিচয় জাতির সামনে প্রকাশ করতে হবে
- 📌 রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ: আরমান এমপি দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হচ্ছে
- 📌 তদন্ত কমিশন গঠনের হুমকি: সরকার যদি ঘটনাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত না করে, তাহলে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে
- 📌 মানববন্ধনে দাবি: রাড্ডা হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, লুট হওয়া ওষুধ ফিরিয়ে দেওয়া এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়
📰 বিস্তারিত
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে কোনো ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক দাবি নিয়ে আসিনি। রাড্ডা হাসপাতাল থেকে শত শত মা ও শিশু বিনামূল্যে চিকিৎসা পেয়েছেন। মানুষের মৌলিক অধিকার আপনারা কেড়ে নেবেন না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এত দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হচ্ছে না। গণমাধ্যমে জানা যায়, এই হামলায় জড়িতদের পেছনেও মদদদাতা রয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় অপরাধীদের ঢাল হয়ে দাঁড়াতে পারে না।’
ব্যারিস্টার বিন কাসেম আরমান এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ‘রাড্ডা হাসপাতাল মিরপুরে সুলভ মূল্যে চিকিৎসা পাওয়ার অন্যতম প্রতিষ্ঠান। শত শত মা ও শিশু এখান থেকে চিকিৎসা পেয়েছেন। কিন্তু ঘটনাটি ঘটার পরও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আমাদের আশঙ্কা, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে এই ব্যর্থতা ঘটছে।’ তিনি হুঁশিয়ারি দেন, ‘সাত দিনের মধ্যে যদি গ্রেফতার করা না হয়, তাহলে আরও বড় কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
মানববন্ধনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা ডা. মঈন উদ্দিন, মনিরুল ইসলাম মৃধা ও জি এম হাফিজুর রহমান প্রমুখ। তারা রাড্ডা হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, লুট হওয়া ওষুধ ও সামগ্রী ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের পাশাপাশি নেপথ্যের মদদদাতাদেরও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
"আমরা এখানে কোনো ব্যক্তিগত কিংবা রাজনৈতিক দাবি নিয়ে আসিনি। রাড্ডা হাসপাতাল থেকে আমাদের শত শত মা ও শিশুরা বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। মানুষের ন্যূনতম চিকিৎসাসেবা পাওয়ার মৌলিক অধিকার আপনারা কেড়ে নেবেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, বিন কাসেম আরমান এমপি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ (ঢাকা-১৪ আসন), ১৮ (অক্টোবর), ৪ (টায়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!