📌 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি মুছে দেওয়ার অভিযোগে ঢাকার সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনে আ ন ম আয়াসকে পুলিশ আটক করে। এই ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ায় তিনি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসছেন। আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ঘটনা এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষে তার নাম বারবার উঠেছে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি মুছে দেওয়ার অভিযোগে ঢাকার সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনে আ ন ম আয়াসকে শাহবাগ থানার পুলিশ আটক করেছে। এই ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ায় তিনি আবারও রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন। শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল খালেক প্রথম আলোকে জানান, আয়াসকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তিনি সেখানে ফুটপাতের দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি মুছে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আ ন ম আয়াসকে সেগুনবাগিচায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি মুছে দেওয়ার অভিযোগে শাহবাগ থানার পুলিশ আটক করেছে।
- 📌 আয়াস আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ঘটনা এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষে বারবার আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন।
- 📌 ৫ অক্টোবর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করার পর ১০ জন শিল্প-সাহিত্যিকের প্রতিকৃতি আঁকা হয়েছিল।
- 📌 আয়াস আগে ময়মনসিংহে দু’বার হামলার শিকার হয়েছিলেন। প্রথমবার ২৬ মে এবং দ্বিতীয়বার ১৬ আগস্ট।
- 📌 আয়াস আগে প্রেসক্লাব সংঘর্ষে, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ঘটনায় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কটূক্তির অভিযোগে আলোচিত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
শাহবাগ থানার কর্তব্যরত উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল খালেক জানান, শিল্পকলা একাডেমির সামনে থেকে আয়াসকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তিনি সেখানে ফুটপাতের দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি মুছে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। ৫ অক্টোবর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করার পর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃক ফুটপাতের দেয়ালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, সত্যজিৎ রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামসহ ১০ জন শিল্প-সাহিত্যিকের প্রতিকৃতি আঁকা হয়েছিল।
আয়াসের নাম আগে বারবার আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ৪ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবের সংঘর্ষে তিনি মারধরের শিকার হন। ওই দিন নতুন ধারা বাংলাদেশ (এনডিবি) এবং রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে তিনি জড়িয়ে পড়েন। এক ভিডিওতে দেখা যায়, শান্তা ফারজানাসহ কয়েকজনকে আয়াসের ওপর চড়াও হতে দেখা যায়। পরে আয়াসও পাল্টা আঘাত করেন। এই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নতুন ধারা বাংলাদেশের কয়েকজন নেতাকে আসামি করা হয়।
১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ঘটনায় আয়াসের নেতৃত্বে অবস্থান নেওয়া একদল লোক তিনজনকে মারধর করে। সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া এবং শিঙাড়া বিতরণের অভিযোগ তোলা হয়। আয়াস দাবি করেছিলেন, তারা কোনো মব সৃষ্টি করছেন না, বরং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের পুলিশের কাছে তুলে দিচ্ছেন।
ময়মনসিংহে ২৬ মে এবং ১৬ আগস্ট দু’বার হামলার শিকার হন আয়াস। প্রথমবার পাটগুদাম ব্রিজ মোড় এলাকায় ছুরিকাঘাতে আহত হন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই ঘটনায় পাঁচ থেকে ছয়জন যুবক তাঁকে ছুরি ঠেকিয়ে সড়কের নিচের দিকে নিয়ে যান। বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুরের প্রসঙ্গ তুলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়। পরে লাঠি দিয়ে পেটানো হয়। পালানোর চেষ্টা করলে হাতে ও পায়ে ছুরিকাঘাত করা হয়।
"আমরা যাতে কোনো ধরনের অপতৎপরতা চালাতে না পারেন, সে জন্য সেখানে অবস্থান নিয়েছি। কাউকে পেলে পুলিশের কাছে তুলে দিচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সেগুনবাগিচা, ঢাকা; ধানমন্ডি ৩২ নম্বর, ঢাকা; ময়মনসিংহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আ ন ম আয়াস, আবদুল খালেক (এসআই), শান্তা ফারজান, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, সত্যজিৎ রায়, কাজী নজরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ (শিল্প-সাহিত্যিকের প্রতিকৃতি), ৫ (অক্টোবর), ৪ (আগস্ট), ১৫ (আগস্ট), ২৬ (মে), ১৬ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!