📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে গণতন্ত্র দুর্বল হয়: প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা কেন জরুরি?

দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে গণতন্ত্র দুর্বল হয়: প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা কেন জরুরি?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বের ৯২টি দেশে রাষ্ট্রপতির মেয়াদসীমা থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে এ সীমা বিরল। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে প্রধানমন্ত্রী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল করে, বিরোধীদলকে দমন করে এবং নির্বাচনকে সংকুচিত করে। হাঙ্গেরি, থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ ও ভারতের অভিজ্ঞতা দেখায় মেয়াদসীমার প্রয়োজন

বিশ্বের অধিকাংশ গণতান্ত্রিক দেশে রাষ্ট্রপতির মেয়াদসীমা থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে এ সীমা বিরল। কিন্তু দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে একজন প্রধানমন্ত্রী আইনসভা, বিচার বিভাগ, নির্বাচনব্যবস্থা, গণমাধ্যম ও প্রশাসনের ওপর প্রভাব বাড়িয়ে ক্ষমতাকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক করে তুলতে পারে। এই প্রবণতা বাংলাদেশসহ হাঙ্গেরি, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ভারতের রাজনীতিতে দেখা গেছে। গবেষণা দেখায়, নিয়ন্ত্রণহীন দীর্ঘ শাসন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল করে, বিরোধী মত দমন করে এবং নির্বাচনী প্রতিযোগিতা সংকুচিত করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৯২টি দেশে রাষ্ট্রপতির মেয়াদসীমা থাকলেও** প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে এ সীমা বিশ্বের একমাত্র ওয়েস্টমিনস্টারধর্মী ব্যবস্থায় বাংলাদেশসহ কোথাও কার্যকর নয়।
  • 📌 **হাঙ্গেরি ২০২৬ সালের ১৫ জুন** সাংসদীয় সংশোধনী অনুমোদন করে, প্রধানমন্ত্রীকে সর্বোচ্চ **৮ বছর** দায়িত্ব পালন করতে সীমাবদ্ধ করে।
  • 📌 **থাইল্যান্ড ২০০৭ সালে** প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা কার্যকর করে, যা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা নেতাদের কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা রোধে কাজ করেছে।
  • 📌 **বিশ্বের ৮০% রাষ্ট্রপতিশাসিত ও আধা রাষ্ট্রপতিশাসিত** সংবিধানে রাষ্ট্রপতির মেয়াদসীমা রয়েছে, কিন্তু **ওয়েস্টমিনস্টারধর্মী ব্যবস্থায়** প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নেই।
  • 📌 **ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় মেয়াদে** থাকায় গণতন্ত্রের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে; গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভ্যারাইটিজ অব ডেমোক্রেসি (ভি-ডেম) ভারতকে ‘নির্বাচনী স্বৈরতন্ত্র’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

📰 বিস্তারিত

বিশ্বের অধিকাংশ গণতান্ত্রিক দেশে রাষ্ট্রপতির মেয়াদসীমা থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে এ সীমা বিরল। মাল্টজের গবেষণা অনুযায়ী, ১৯৯২ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে **৯২টি দেশের মধ্যে মাত্র পাঁচটি** দেশ ছাড়া বাকি সব দেশেই নির্বাহী প্রধানের মেয়াদসীমা কার্যকর ছিল। ডিকসন ও ল্যান্ডাউ উল্লেখ করেছেন, বর্তমানে কার্যকর রাষ্ট্রপতিশাসিত ও আধা রাষ্ট্রপতিশাসিত সংবিধানগুলোর **৮০ শতাংশের বেশি** রাষ্ট্রপতির মেয়াদসীমা রয়েছে। ফার্স্টিগ ও অন্যান্য গবেষকদের মতে, বিশ্বের **৪৩ শতাংশ** সংবিধানে নির্বাহী প্রধানের মেয়াদসীমা রয়েছে।

তবে ওয়েস্টমিনস্টারধর্মী সাংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নেই। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রধানমন্ত্রীদের ক্ষমতা সুসংহত করার প্রবণতা বেড়েছে, ফলে মেয়াদসীমা নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা বেড়েছে। হাঙ্গেরি ২০২৬ সালের **১৫ জুন** সাংসদীয় সংশোধনী অনুমোদন করে, প্রধানমন্ত্রীকে সর্বোচ্চ **৮ বছর** দায়িত্ব পালন করতে সীমাবদ্ধ করে। থাইল্যান্ড ২০০৭ সালে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা কার্যকর করে, যা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা নেতাদের কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা রোধে কাজ করেছে।

বাংলাদেশসহ মালয়েশিয়া ও ভারতের অভিজ্ঞতা দেখায়, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে প্রধানমন্ত্রী আইনসভা, বিচার বিভাগ, নির্বাচনব্যবস্থা, গণমাধ্যম ও প্রশাসনের ওপর প্রভাব বাড়িয়ে ক্ষমতাকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক করে তুলতে পারে। হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান **১৬ বছর** ক্ষমতায় থাকার পর ২০২৬ সালের মে মাসে পিটার মাগিয়ারের নেতৃত্বাধীন তিসা পার্টি বিপুল বিজয় অর্জন করে তার শাসনের অবসান ঘটায়। অরবানের দীর্ঘ শাসনকালে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার অবনতি এবং নির্বাহী ক্ষমতার অতিমাত্রায় বৃদ্ধি দেখা গেছে।

ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় মেয়াদে থাকায় গণতন্ত্রের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভ্যারাইটিজ অব ডেমোক্রেসি (ভি-ডেম) ভারতকে ‘নির্বাচনী স্বৈরতন্ত্র’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। গত এক দশকে ভারতের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়েছে, বিরোধীদলকে দমন করা হয়েছে এবং নির্বাচনী প্রতিযোগিতা সংকুচিত হয়েছে।

"অপারেশন স্টিপলচেজ"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, হাঙ্গেরি, থাইল্যান্ড, ভারত, মালয়েশিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভিক্টর অরবান (হাঙ্গেরি), প্রধানমন্ত্রী (বাংলাদেশ, ভারত, মালয়েশিয়া)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯২টি দেশ, ৮০ শতাংশ, ৪৩ শতাংশ, ৮ বছর, ১৬ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖