📌 কঠিন হার্টের রোগে ভুগছেন রাজনীতিবিদ মশিউর রহমান। মৃত্যুসন্ন অবস্থায় তিনি শেষবার নাতি-নাতনিদের জাদুঘরে নিয়ে যান। একসময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী থাকা অবস্থায় তিনি বিজ্ঞানী ড. রায়হান মারুফের স্পেস মেডিসিন গবেষণার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। স্মৃতিচারণে গ্লানি অনুভব করেন তিনি
কঠিন হার্টের রোগে ভুগছেন রাজনীতিবিদ মশিউর রহমান। চিকিৎসকদের অনুমান, আর বড়জোর ছয় মাস বাঁচার সম্ভাবনা রয়েছে। মৃত্যুসন্ন অবস্থায় তিনি শেষবার নাতি-নাতনিদের নিয়ে জাদুঘরে গিয়েছিলেন। একসময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী থাকা অবস্থায় তিনি বিজ্ঞানী ড. রায়হান মারুফের স্পেস মেডিসিন গবেষণার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। স্মৃতিচারণে গ্লানি অনুভব করছেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মশিউর রহমান কঠিন হার্টের রোগে ভুগছেন, চিকিৎসকদের অনুমান: আর বড়জোর ছয় মাস বাঁচার সম্ভাবনা
- 📌 মৃত্যুসন্ন অবস্থায় তিনি শেষবার নাতি-নাতনি মুক্তি ও নিপ্পন নিয়ে ঢাকার জাদুঘরে গিয়েছিলেন
- 📌 ফারজানাকে ফোন করে বলেছিলেন: ‘কাল তোর বাচ্চাদের নিয়ে যাব জাদুঘরে’
- 📌 ড. রায়হান মারুফকে দেখে মনে পড়লো মন্ত্রী থাকা অবস্থায় তাঁর স্পেস মেডিসিন গবেষণার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের ঘটনা
- 📌 ভারতীয় স্যাটেলাইট হাসপাতাল বিষয়ে গবেষণার কথা বললেন ড. মারুফ, কিন্তু মশিউর রহমান তখন প্রত্যাখ্যান করেছিলেন
- 📌 মহাশূন্যে হার্টের চিকিৎসা সম্পর্কে তাঁর গবেষণার কথা বললেন ড. মারুফ
- 📌 বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে তিনি সাংসদীয় কমিটিতে কাজ করছেন, কিন্তু মৃত্যুসন্ন অবস্থায় কাজে ডুবে যাচ্ছেন
📰 বিস্তারিত
কঠিন হার্টের রোগে ভুগছেন রাজনীতিবিদ মশিউর রহমান। চিকিৎসকদের অনুমান, আর বড়জোর ছয় মাস বাঁচার সম্ভাবনা রয়েছে। মৃত্যুসন্ন অবস্থায় তিনি শেষবার নাতি-নাতনি মুক্তি ও নিপ্পনকে নিয়ে ঢাকার জাদুঘরে গিয়েছিলেন। জাদুঘরে ডাইনোসরের বিশাল কঙ্কালের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তিনি নিজেকে অতি তুচ্ছ ও গুরুত্বহীন মনে করেছিলেন।
মশিউর রহমানের পরিবার জানিয়েছে, তিনি মৃত্যুচিন্তা করবেন না বলে ঠিক করেছেন। তবুও চিন্তা তাঁকে ছাড়েনি। তিনি ফারজানা নামের মেয়ে ও জামাইকে ফোন করে বলেছিলেন, ‘কাল তোর বাচ্চাদের নিয়ে যাব জাদুঘরে’। পরদিন নাতি-নাতনিদের নিয়ে তিনি জাদুঘরে গিয়েছিলেন। বাচ্চারা মহা উত্তেজিত ছিলেন। হাজারো প্রশ্নের জবাব দিতে পারলেন না নানা, কিন্তু তাঁর বানানো জবাবগুলো বাচ্চাদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল।
মৃত্যুসন্ন অবস্থায়ও তিনি অফিসে গিয়েছিলেন। প্রচুর কাজ জমে আছে। বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে তিনি সাংসদীয় কমিটিতে রয়েছেন। কাজে ডুবে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু তাঁর পরিবার জানিয়েছে, তিনি কোনো ব্যথাবেদনা অনুভব করেন না। তবে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন চিকিৎসকের কথা।
একদিন বিশিষ্ট দর্শনার্থী হিসেবে এলেন বিজ্ঞানী ড. রায়হান মারুফ। লম্বা-পাতলা ভদ্রলোকটি তাঁকে স্বাগত জানালেন মশিউর রহমান। ড. মারুফের আগমনের কারণ জানতে চাইলেন তিনি। ড. মারুফ তাঁকে একটি বিজ্ঞান পত্রিকার আর্টিকেল দেখালেন। স্পেস মেডিসিনের ওপর একটি হিন্দি জার্নাল ছিল। মশিউর রহমান বলেছিলেন, ‘আমি তো হিন্দি পড়তে পারি না’। ড. মারুফ ব্যাখ্যা করলেন, ‘ভারতীয় স্যাটেলাইট হাসপাতালের ওপর একটি লেখা। ভারতীয় চিকিৎসকদের ধারণা, মহাশূন্যে হার্টের চিকিৎসা সফলভাবে করা সম্ভব। সেখানে হার্টের রোগীরা অনেক বেশি দিন বাঁচবে’।
মশিউর রহমানের মনে পড়লো একসময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী থাকা অবস্থায় তিনি ড. মারুফের স্পেস মেডিসিন গবেষণার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের ঘটনা। সেদিন তিনি ড. মারুফের কথা শুনতে চাননি। বলেছিলেন, ‘এত টাকা দিয়ে কী করবেন? লোকেরা আপনাদের রিসার্চ ভালো চোখে দেখছে না’। গ্লানি অনুভব করছেন তিনি স্মৃতিচারণে।
"ভারতীয় স্যাটেলাইট হাসপাতালের ওপর একটি লেখা। ভারতীয় চিকিৎসকদের ধারণা, মহাশূন্যে হার্টের চিকিৎসা সফলভাবে করা সম্ভব। সেখানে হার্টের রোগীরা অনেক বেশি দিন বাঁচবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (জাদুঘর, অফিস)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মশিউর রহমান, ড. রায়হান মারুফ, ফারজানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মাস (বাঁচার সম্ভাবনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!