📌 শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইয়ের বিক্রয়কেন্দ্রে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বিক্রয়কর্মীদের হয়রানি ও শাটার বন্ধের ঘটনা ঘটে। ফরিদাবাদ পুলিশ ফাঁড়িতে আটক করা হয় দু’জন কর্মীকে, কিন্তু পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। সরকারের দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে দুর্নামের পাল্লা ভারী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ইউপিএলের বিক্রয়কেন্দ্রে দু’জন বিক্রয়কর্মীকে হয়রানি করা হয়। শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইয়ের বিক্রয়কেন্দ্রে ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বিক্রয়কেন্দ্রের শাটার বন্ধ করে দেয়া হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিরা বিক্রয়কর্মীদের হয়রানি করে এবং তাদের ফরিদাবাদ পুলিশ ফাঁড়িতে আটক করে রাখেন। পরে কর্মী দু’জনকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিচয় বহন করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টায় ইউপিএলের বাংলাবাজার বিক্রয়কেন্দ্রে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইয়ের বিক্রয় বন্ধ করে দেয়া হয়।
- 📌 দু’জন বিক্রয়কর্মীকে হয়রানি করে ফরিদাবাদ পুলিশ ফাঁড়িতে আটক করা হয়, পরে ছেড়ে দেওয়া হলেও ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিচয় বহন করছে।
- 📌 ইউপিএল জানায়, ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি নিষিদ্ধ নয় এবং কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
- 📌 গতকালের ঘটনা থেকে বোঝা যায়, সরকারের দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে দুর্নামের পাল্লা ভারী হতে পারে।
- 📌 বাংলাদেশে বই নিষিদ্ধের ঘটনা আগেও ঘটেছে, কিন্তু তা বইয়ের বিক্রি বাড়িয়ে দিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল) প্রকাশিত শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি নিষিদ্ধ নয়। তবে, ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বিক্রয়কেন্দ্রে উপস্থিত কিছু ব্যক্তি বিক্রয়কেন্দ্রের শাটার বন্ধ করে দেন এবং বিক্রয়কর্মীদের হয়রানি করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিরা বিক্রয়কর্মীদের ফরিদাবাদ পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যান এবং পরবর্তীতে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে, ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বোঝা যায়, এই ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফলস্বরূপ ঘটেছে।
ইউপিএলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের প্রকাশিত প্রতিটি বইকে আইনগতভাবে ধারণ করা হয়। কোনো বই নিষিদ্ধ করতে হলে নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইয়ের ক্ষেত্রে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে জানানো হয়েছে। তবে, এই ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনলে সরকারের দুর্নামের পাল্লা ভারী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে বই নিষিদ্ধের ঘটনা আগেও ঘটেছে। যেমন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব-দ্বীপ প্রকাশনীর ‘ইসলাম বিতর্ক’ বইয়ের সম্পাদক ও প্রকাশককে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ব্লগারদের বই প্রকাশের কারণে উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠী শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর মালিকের ওপর হামলা করেছিল এবং জাগৃতি প্রকাশনীর মালিককে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এছাড়াও, আদর্শ প্রকাশনীর বইমেলায় স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।
"বাংলাদেশে বই নিষিদ্ধের কাহিনি নতুন কিছু না। এর আগেও দেখা গেছে, যখন কোনো সরকার কোনো বই নিষিদ্ধ করে, তখন আসলে সেই বইটির প্রচার অবাধ হয়ে যায়। কারণ, পাঠকের ভেতর ‘নিষিদ্ধ’ বই পড়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাবাজার, ঢাকা; ফরিদাবাদ পুলিশ ফাঁড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ মুজিবুর রহমান, বিক্রয়কর্মী (২ জন), পুলিশ কর্মকর্তা, ইউপিএলের কর্মকর্তা, ব-দ্বীপ প্রকাশনীর মালিক, শামসুজ্জোহা মানিক, প্রেসমালিক, শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর মালিক, জাগৃতি প্রকাশনীর মালিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর, সাড়ে ৫ টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!