📌 ভোলা জেলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা শনাক্তকরণের দাবিতে ঝটিকা মিছিল করেছে। পুলিশ এতে জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ শুরু করেছে। মিছিলে শেখ হাসিনা ও ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি করা হয়
ভোলা জেলায় নিষিদ্ধ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মকর্তারা বুধবার সকালে বরিশাল-ভোলা মহাসড়কে ঝটিকা মিছিল করেছে। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে তৎপরতা শুরু করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৩৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলে ২০ থেকে ৩০ জন অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক স্লোগান দিচ্ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাকারিয়া হোসেন অমি নেতৃত্ব দিয়েছেন মিছিলে
- 📌 মিছিলের ব্যানারে শেখ হাসিনা, সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি করা হয়
- 📌 ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের’ রায় প্রত্যাখ্যানেরও দাবি করা হয়
- 📌 মিছিলে শোনা যায় ‘হাসিনা, তোমার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ ও ‘জয় বাংলা’সহ স্লোগান
- 📌 ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেছেন, পুলিশ শনাক্তকরণ ও অভিযান অব্যাহত রেখেছে
📰 বিস্তারিত
ভোলা-বরিশাল মহাসড়কে অনুষ্ঠিত মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দিয়েছেন। মিছিলের ব্যানারে শেখ হাসিনা, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। এছাড়াও ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের’ রায় প্রত্যাখ্যানের কথাও উল্লেখ করা হয়।
মিছিলের আগে দেওয়া বক্তব্যে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাকারিয়া হোসেন অমি বলেন, ‘আজকে শেখ হাসিনার জন্য বাংলাদেশ নয়, বাংলাদেশের জন্য শেখ হাসিনাকে প্রয়োজন। আমরা শেখ হাসিনাকে আবার আনব, আবার শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করব।’
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মসূচির ভিডিও দেখার পর পুলিশ এতে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে কাজ শুরু করেছে। তিনি বলেন, শনাক্তকরণ ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
"আজকে শেখ হাসিনার জন্য বাংলাদেশ নয়, বাংলাদেশের জন্য শেখ হাসিনাকে প্রয়োজন। আমরা শেখ হাসিনাকে আবার আনব, আবার শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলা-বরিশাল মহাসড়ক, ভোলা জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাকারিয়া হোসেন অমি (ভোলা জেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি), মো. মনিরুল ইসলাম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ সেকেন্ড (ভিডিও দৈর্ঘ্য), ২০-৩০ জন (মিছিলে অংশগ্রহণকারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!