📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মুক্তিযুদ্ধ থেকে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাগরিক ঐক্যের আহ্বান

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
মুক্তিযুদ্ধ থেকে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাগরিক ঐক্যের আহ্বান

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহাখালী ও গুলশান-বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে বলেছেন, দেশ গড়ার সংগ্রামে ধর্মের পরিবর্তে নাগরিক পরিচয়ই মূল। তিনি উল্লেখ করেছেন, মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিলেন

রাজধানী ঢাকায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাগরিক ঐক্যের আহ্বান সারা দেশে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে মহাখালী ও গুলশান-বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি বলেছেন, দেশ গড়ার সংগ্রামে ধর্মের পরিবর্তে নাগরিক পরিচয়ই মূল ভূমিকা পালন করবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮ অক্টোবর রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান মহাখালী ও গুলশান-বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন
  • 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিলেন
  • 📌 তিনি উল্লেখ করেন, আগামী দিনে দেশ গড়ার সংগ্রামে নাগরিক পরিচয়ই মূল — ধর্ম বা জাতের ভিত্তিতে বিভেদ হবে না
  • 📌 ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সবাই মিলে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন
  • 📌 ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে দলমত নির্বিশেষে নারী-পুরুষ সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সংগ্রাম করেছিল

📰 বিস্তারিত

রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান মহাখালী রক্ষাকালী মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। সেখানে পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিনী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরিদর্শন শেষে তারা গুলশান-বনানীর পূজামণ্ডপে যান এবং সেখানে উপস্থিত পূজারি ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সংগ্রাম করেছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা যুদ্ধ করে এই দেশকে স্বাধীন করেছিলাম। যুদ্ধের ময়দানে আমরা দেখিনি কে কোন ধর্মের মানুষ। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান — যারা এই দেশকে ভালোবাসেন, সবাই মিলে দেশকে স্বাধীন করেছেন।

স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়লে জনগণ ভোটাধিকার ও কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজপথে নেমেছে। সেসব আন্দোলনেও ধর্মীয় পরিচয় কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। বিশেষ করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানেও দলমত নির্বিশেষে নারী-পুরুষ, সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে নেমেছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেখিনি কে কোন ধর্মের মানুষ। সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গণঅভ্যুত্থানকে সফল করেছিল।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও বলেন, আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় পরিচয়, আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ। এই দেশের ওপর আপনার যেমন অধিকার আছে, আমারও তেমন অধিকার আছে। সেই অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রতিটি ধর্ম ও পেশার মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ে তুলতে হবে।

"দেশ গড়ার সংগ্রামে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি। ঠিক একইভাবে আগামী দিনে দেশ গড়ার সংগ্রামেও আমরা ধর্ম দেখব না। আমরা দেখব কে এই দেশের নাগরিক।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মহাখালী ও গুলশান-বনানী পূজামণ্ডপ, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ডা. জুবাইদা রহমান, হাসান শিপলু (উপ প্রেস সচিব)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ অক্টোবর ২০২৬

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖