📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিরোধীদলকে তিরস্কার করে বলেছেন, তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিরোধীদল শহীদ পরিবারের সঙ্গে অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি, যা শহীদদের প্রতি অবজ্ঞা হিসেবে দেখা যেতে পারে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিরোধীদলকে তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, তারা জুলাই বিপ্লবের চেতনা ধারণ করে না। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে অনুষ্ঠিত এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় কোনো নেতা বা প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না, যা প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষুব্ধ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান বিরোধীদল জুলাই বিপ্লব ও গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে না।
- 📌 শহীদ পরিবারের সঙ্গে অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা বা প্রতিনিধি উপস্থিত হননি, যা প্রধানমন্ত্রীকে তিরস্কার করে বলেছেন, “শহীদদের প্রতি অবজ্ঞা”।
- 📌 তিনি বলেছেন, বিরোধীদল শুধু সরকারের বিরোধিতা করছে, কিন্তু গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারেনি।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা।
- 📌 স্মৃতিস্তম্ভে নাম লিপিবদ্ধ ৮১৩ জন শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ আজ গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা বা প্রতিনিধি উপস্থিত হননি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান বিরোধী দল এখন শুধু বিরোধিতার খাতিরেই সরকারের বিরোধিতা করছে। তারা সরকারের নীতি নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারে, কিন্তু অন্ধ বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়, তবে তা শহীদদের আত্মত্যাগের সঙ্গে চরম প্রতারণা হবে।”
প্রধানমন্ত্রী জনগণের রায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ বিএনপিকে আগামী পাঁচ বছর দেশ পরিচালনার জন্য সরকারে বসিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আজকের মতো ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে বিরোধীদল না এসে শহীদ পরিবারগুলোকেই অবজ্ঞা করেছে। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে কোনো রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও শহীদদের প্রতি সম্মান জানাতে বিরোধীদলের উপস্থিত থাকা উচিত ছিল।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান—উভয় সংগ্রামের মূল লক্ষ্যই ছিল দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। স্মৃতিস্তম্ভে নাম লিপিবদ্ধ ৮১৩ জন শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ আজ তার গণতান্ত্রিক ধারা ও অধিকার ফিরে পেয়েছে।
"বর্তমান বিরোধী দল এখন শুধু বিরোধিতার খাতিরেই সরকারের বিরোধিতা করছে। তারা সরকারের নীতি নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারে, কিন্তু অন্ধ বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়, তবে তা শহীদদের আত্মত্যাগের সঙ্গে চরম প্রতারণা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওসমানী উদ্যান, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১৩ জন শহীদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!