📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এই কথা বলেন। সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করে নেতারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ জানান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুক্রবার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বলেছেন, ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের অধিকার নিশ্চিত করা তার সর্বোচ্চ দায়িত্ব। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে যার যে অধিকার রয়েছে, তা নিশ্চিত করা সরকার প্রধান হিসেবে তার কর্তব্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব, ধর্ম নয়
- 📌 শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ঢাকা-১৭ আসনের ৮টি মন্দিরের প্রতিনিধি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন
- 📌 হিন্দু নেতারা সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করে পূজার ছুটি ও অনুদান বাড়ানোর জন্য ধন্যবাদ জানান
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯০ ও ২০২৪ সালের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করেছিলেন
- 📌 তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিভিন্ন ধর্মের নেতা-কর্মীদের নির্যাতন হয়েছিল
- 📌 হিন্দু নেতারা জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তারা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন
📰 বিস্তারিত
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ঢাকা-১৭ আসনের ৮টি মন্দিরের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করে তাকে পূজার আমন্ত্রণ জানান। এই আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, আল্লাহ তায়ালা আমাকে একটি সুযোগ দিয়েছেন। আমার অবস্থান থেকে, আমার ক্ষমতার মধ্যে যতটুকু সম্ভব নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করব। আমি ধর্মের পরিপ্রেক্ষিতে নয়, বরং মানুষ হিসেবে প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করব।’
মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। সেই যুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান— সব ধর্মের মানুষ অংশ নিয়েছেন। ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনেও ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করেছেন।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘জাতির ক্রান্তিলগ্নে যখন আমরা ধর্মকে বিবেচনায় আনিনি, তখন অন্য কাজে কেন ধর্মকে বিবেচনা করব?’
হিন্দু নেতারা প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর হিন্দুদের কল্যাণে সরকারের নানা উদ্যোগের প্রশংসা করছি। পূজার ছুটি ও অনুদান বাড়িয়ে দেওয়ায় আমরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’ তারা জানান, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছি। সরকারের প্রতি আমাদের সমর্থন ও সহযোগিতা থাকবে।’
"আমি ধর্মের পরিপ্রেক্ষিতে নয়, বরং মানুষ হিসেবে প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করব। নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'দেশের একজন নাগরিক হিসেবে, একজন মানুষ হিসেবে আপনার যে অধিকার, আপনার যা প্রাপ্য— তা নিশ্চিত করতে এবং সরকারপ্রধান হিসেবে আপনাদের প্রতি আমার যে কর্তব্য, আমি সেটাই পালন করার চেষ্টা করছি।'"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, হিন্দু নেতা রমেশ দত্ত, অলক সাহা, জীবন কানাই দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮টি মন্দিরের প্রতিনিধি, ঢাকা-১৭ আসন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!