📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণের নির্দেশনা আসছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পেছনে ছিল ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের চেতনা এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণের নির্দেশনা আসছে। তিনি বলেছেন, সরকার এসব অপচেষ্টা প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে নির্দেশনা**: রিজভী দাবি করেছেন, ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণের নির্দেশনা পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আসছে।
- 📌 **গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রত্যয়**: ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পেছনে ছিল ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের চেতনা এবং স্বাধীনতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্র রক্ষার প্রত্যয়।
- 📌 **সরকারের কর্মসূচি**: তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
- 📌 **খাল খনন**: ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ১ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে।
- 📌 **সামাজিক কর্মসূচি**: ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিভিন্ন স্থানে গলির ভেতর থেকে ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হচ্ছে। তিনি জানান, এসব কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আসছে। জনগণ এসব অপচেষ্টা প্রতিহত করবে এবং সরকারও সদা প্রস্তুত রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি এসব অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকলেও জনগণ এসব বিষয় কখনো ক্ষমা করবে না।
রিজভী ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে তৎকালীন সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেছেন, সেসময় দেশকে ভয়াবহ ফ্যাসিবাদের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা ও শ্রমিকেরা রাজপথে নেমে আসে এবং গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ঘটায়।
রিজভী বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পেছনে ছিল ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের চেতনা। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের অব্যাহত ধারা নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে দেশের মানুষ জুলাইয়ে আন্দোলনে নেমেছিল। তিনি উল্লেখ করেছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছেন।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার আগে জনগণকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করছেন। তিনি কোনো মিথ্যা আশ্বাস বা প্রতিশ্রুতি দেননি। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দুই-তিন দিন পর থেকেই এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছেন।
"বাংলাদেশ কোনো আধিপত্যবাদের থাবার মধ্যে পড়বে না। দেশের সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী করার অঙ্গীকার নিয়ে ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও পরবর্তী সময়ে দেশের মানুষ গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষার প্রত্যয় খুঁজে পেয়েছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার শেরেবাংলা নগর, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল কবির রিজভী (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব), তারেক রহমান (প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ আগস্ট (শেখ হাসিনার পতন), ৭ নভেম্বর (বিপ্লবের দিবস), ২০ হাজার কিলোমিটার (খাল খননের প্রতিশ্রুতি), ১ হাজার কিলোমিটার (খাল খনন করা হয়েছে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!