📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পার্বত্য চুক্তির বিরোধী কমিটি বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে গণসংযোগ: ৮ দফা চাহিদা

পার্বত্য চুক্তির বিরোধী কমিটি বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে গণসংযোগ: ৮ দফা চাহিদা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক তিনটি জাতীয় কমিটি বাতিলের দাবিতে রাজধানীর পল্টন মোড়ে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়। ছাত্র-যুব সংগঠনের নেতারা ৮ দফা দাবি জানান, যার মধ্যে রয়েছে কমিটি বাতিল ও চুক্তি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ

পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক তিনটি জাতীয় কমিটি বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে আজ মঙ্গলবার গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণের মাধ্যমে আন্দোলন শুরু হয়। পল্টন মোড়ে শুরু হওয়া কর্মসূচিতে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুমের নেতৃত্বে ছাত্র-যুব সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৩ কমিটি বাতিলের দাবি**: পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক তিনটি কমিটি বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়।
  • 📌 **পল্টন মোড় থেকে শুরু**: আজ বিকেল সাড়ে চারটায় পুরানা পল্টন মোড়ে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়।
  • 📌 **২৯ বছর পরও বাস্তবায়ন বন্ধ**: পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের প্রায় ২৯ বছর পরও এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।
  • 📌 **৮ দফা দাবি**: কর্মসূচিতে ৮ দফা দাবি জানানো হয়, যার মধ্যে রয়েছে কমিটি বাতিল, চুক্তি অনুযায়ী বাস্তবায়ন কমিটি গঠন ও ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন কার্যকর করা।
  • 📌 **মন্ত্রিপরিষদ গঠিত কমিটি**: গত ১০ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তিনটি কমিটি গঠন করে, যা পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

📰 বিস্তারিত

পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক তিনটি জাতীয় কমিটি বাতিলের দাবিতে আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটায় রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। সমাবেশে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের পরিবর্তে সরকার নতুন করে সংকট তৈরি করছে। তিনি চুক্তি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাবেক সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের প্রায় ২৯ বছর পরও এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। তিনি সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। প্রচারপত্রে উল্লেখ করা হয়, গত ১০ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তিনটি কমিটি গঠন করে। এগুলো হলো প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে জাতীয় কমিটি, স্বরাষ্ট্রসচিবকে সভাপতি করে নির্বাহী কমিটি এবং চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে পরামর্শক কমিটি।

সমাবেশে হিল উইমেনস ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শান্তিদেবী তঞ্চঙ্গ্যা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (জাসদ) সভাপতি গৌতম শীল, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের নেতাসহ বিভিন্ন ছাত্র ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচিতে আট দফা দাবি জানানো হয়, যার মধ্যে রয়েছে তিনটি কমিটি বাতিল, চুক্তি অনুযায়ী বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটি গঠন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অপাহাড়ি প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার, চুক্তি বাস্তবায়নে সময়সীমাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন কার্যকর করা। এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সঙ্গে সংলাপ ও ভূমিসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বহুপক্ষীয় আলোচনার দাবি জানানো হয়।

"পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের পরিবর্তে সরকার নতুন করে সংকট তৈরি করছে। চুক্তি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানাই"
"পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের প্রায় ২৯ বছর পরও এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানী, পুরানা পল্টন মোড় ও নয়াপল্টন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খান আসাদুজ্জামান মাসুম, মুক্তা বাড়ৈ, শান্তিদেবী তঞ্চঙ্গ্যা, গৌতম শীল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি কমিটি, ২৯ বছর, ১০ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖