📌 পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি সরকারের গঠিত তিনটি কমিটিকে বাতিলের দাবি জানিয়েছে। তারা অভিযোগ করেছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি এড়িয়ে সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রভাবশালী ভূমিকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, নওগাঁর ধামইরহাটে দুজন নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে
পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের পথে বাধা সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি। তারা সরকারের গঠিত তিনটি কমিটিকে বাতিলের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ১০ সেপ্টেম্বর গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জাতীয়, নির্বাহী ও পরামর্শক কমিটিগুলোকে বাতিলের দাবি জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের গঠিত তিনটি কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি
- 📌 কমিটিগুলোর কার্যপরিধিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস ও বিচ্ছিন্নতাবাদ দমন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে
- 📌 পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিনকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে
- 📌 পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী প্রণীত আইনগুলো সংশোধনের উদ্দেশ্যে কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 পার্বত্য চট্টগ্রামে সামরিকায়ন ও সেনাশাসন জোরদার হবে বলে আশঙ্কা জানানো হয়েছে
- 📌 নওগাঁর ধামইরহাটে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দুজন মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো একটি বিবৃতিতে দাবি জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সময়সূচিভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজন। তারা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিনকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে এবং ওই মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদ সংরক্ষণ না করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে।
সংগঠনটির অভিযোগ, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি এড়িয়ে সরকার একতরফাভাবে তিনটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটিগুলোর কার্যপরিধিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস ও বিচ্ছিন্নতাবাদ দমন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, এতে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক সমস্যা আরও জটিল হয়ে পড়বে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রচলিত আইন ও চুক্তির শর্ত পর্যালোচনা করা হয়েছে। তবে সংগঠনটি দাবি করেছে, এতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির মাধ্যমে সৃষ্ট রাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ রুদ্ধ হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি আরও দাবি করেছে, কমিটিগুলোর গঠনে সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। জাতীয় কমিটিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টাকে প্রধান সমন্বয়ক এবং ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালককে সদস্যসচিব করা হয়েছে। নির্বাহী কমিটিতে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালককে প্রধান সমন্বয়ক এবং এসএসআইবির পরিচালককে সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটি, ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী ও অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু পুনর্বাসনসংক্রান্ত টাস্কফোর্স, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা কমিটি পুনর্গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।
এছাড়াও, নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে দুজন নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কবিতা খানম (২০) ও আনান হোসেন (১৮) নামের এই দুজন ব্যক্তির গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
"পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ না নিয়ে নির্বাহী কমিটির কার্যপরিধিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস ও বিচ্ছিন্নতাবাদ দমন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্মকৌশল প্রণয়নের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি উদ্বেগজনক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পার্বত্য চট্টগ্রাম, নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, মীর হেলাল উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ সেপ্টেম্বর (কমিটি গঠন), ২০ (কবিতা খানম), ১৮ (আনান হোসেন), ২৬ সেপ্টেম্বর (মরদেহ উদ্ধার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!