📌 পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ও সাত ইউনিয়নের নতুন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে জেলা ছাত্রলীগ। বিবাহিত নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ এবং ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
পাবনার ঈশ্বরদীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সব কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে জেলা ছাত্রলীগ। উপজেলা ও সাত ইউনিয়নের নতুন কমিটিগুলোও বাতিল করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক জুবায়ের বিশ্বাস অন্তু ও যুগ্ম আহ্বায়ক তৌশিকুর রহমান রাভার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় বিলুপ্ত করা হয়েছে
- 📌 সলিমপুর, সাহাপুর, লক্ষ্মীকুণ্ডা, পাকশী, সাঁড়া, দাশুড়িয়া ও মুলাডুলি ইউনিয়নের কমিটিগুলোও বাতিল করা হয়েছে
- 📌 নতুন কমিটিতে বিবাহিত নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ এবং ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
- 📌 জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তৌশিকুর রহমান রাভা বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে সমন্বয়হীনতা ও যোগ্য নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়নের অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় কমিটিগুলো বিলুপ্ত করা হয়েছে
- 📌 ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মল্লিক মিলন মাহমুদ তন্ময় বলেন, কমিটি বিলুপ্ত করার আগে তদন্ত সাপেক্ষে অন্তত স্থগিত করা উচিত ছিল
📰 বিস্তারিত
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাত ইউনিয়নের নবগঠিত কমিটিগুলোও বাতিল করা হয়েছে। তবে ইউনিয়ন কমিটিগুলো বিলুপ্ত করার নির্দিষ্ট কারণ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।
মঙ্গলবার রাতে ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মল্লিক মিলন মাহমুদ তন্ময় ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আরমানের সই করা পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে সাত ইউনিয়নে এক বছরের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। কমিটি ঘোষণার পর স্থানীয় ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিভিন্ন পোস্টে তারা অভিযোগ করেন, নবগঠিত কমিটিতে বিবাহিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে নিষ্ক্রিয়দের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মল্লিক মিলন মাহমুদ তন্ময় বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা সম্ভব ছিল না। তাই সাংগঠনিক নিয়ম মেনে প্রায় এক মাস ধরে ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের জীবনবৃত্তান্ত যাচাই-বাছাই করে কমিটি দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘কী কারণে জেলা ছাত্রলীগ কমিটিগুলো বিলুপ্ত করেছে, তা আমার বোধগম্য নয়। অভিযোগের ভিত্তিতে কমিটি বিলুপ্ত করার আগে তদন্ত সাপেক্ষে অন্তত স্থগিত করা উচিত ছিল।’
জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তৌশিকুর রহমান রাভা বলেন, জেলা ছাত্রলীগের দেওয়া নির্দেশিকা বাস্তবায়নে ঈশ্বরদী উপজেলা কমিটি ব্যর্থ হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে সমন্বয়হীনতা, কমিটিতে বিবাহিতদের অন্তর্ভুক্তি এবং যোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়নের অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় উপজেলা ও ইউনিয়ন কমিটিগুলো বিলুপ্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে রাজপথের ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের নিয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা এবং অধীন ইউনিয়নগুলোর নতুন কমিটি গঠন করা হবে।
"কমিটি বিলুপ্ত করার আগে তদন্ত সাপেক্ষে অন্তত স্থগিত করা উচিত ছিল"
"জেলা ছাত্রলীগের দেওয়া নির্দেশিকা বাস্তবায়নে ঈশ্বরদী উপজেলা কমিটি ব্যর্থ হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা ও সাত ইউনিয়ন (সলিমপুর, সাহাপুর, লক্ষ্মীকুণ্ডা, পাকশী, সাঁড়া, দাশুড়িয়া, মুলাডুলি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুবায়ের বিশ্বাস অন্তু, তৌশিকুর রহমান রাভা, মল্লিক মিলন মাহমুদ তন্ময়, খন্দকার আরমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ সেপ্টেম্বর (বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ), ৭ ইউনিয়ন কমিটি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!