📌 গত মঙ্গলবার জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়া ৬৫০ জনের মধ্যে ছিলেন অপসারিত বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান। তাঁর বিরুদ্ধে ছিল নারী নির্যাতন মামলায় অর্থ গ্রহণের অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে
গত মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়া ৬৫০ জনের মধ্যে ছিলেন অপসারিত বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান। তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। জামায়াতের একজন নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন অপসারিত বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান
- 📌 তাঁর বিরুদ্ধে ছিল ২০০৩ সালে নারী নির্যাতন মামলায় অর্থ গ্রহণের অভিযোগ
- 📌 ২০০৪ সালে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের মাধ্যমে তাঁকে অপসারণ করা হয়েছিল
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহকারী রাশেদ খাঁন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যঙ্গ করে ফেসবুক পোস্ট দেন
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানসহ দলের নেতা-কর্মীরা
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সাবেক বিচারপতি, ব্যবসায়ী, কওমি আলেমসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ৬৫০ জন ব্যক্তি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানসহ দলের নেতা-কর্মীরা।
জামায়াতের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে সাবেক বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়। তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহকারী (রাজনৈতিক) রাশেদ খাঁন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যঙ্গ করে ফেসবুক পোস্ট দেন। তিনি লিখেন, "শাহিদুর রহমান জামায়াতে যোগদান করে অতীতের সমস্ত বিতর্ক থেকে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। জামায়াতকে ধন্যবাদ যে জামায়াত অপরাধী ও বিতর্কিতদের পুনর্বাসন করে সঠিক পথে আনার উদ্যোগ নিয়েছে!"
২০০৩ সালের ১ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির তৎকালীন সভাপতি ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি নারী নির্যাতন মামলায় জামিন করিয়ে দেওয়ার জন্য অর্থ গ্রহণের অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, হাইকোর্টের একজন অতিরিক্ত বিচারক তাঁর সহকর্মীর মাধ্যমে জামিন করিয়ে দেওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা নিয়েছেন।
"ভোটের আগে জান্নাতের টিকিটের মতো জামায়াত বর্তমানে ‘অপরাধী পাপ মুক্তকরণ টিকিট’ চালু করেছে বলে মনে হচ্ছে!"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাকরাইল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ শাহিদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫০ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!