📌 নরসিংদী ছাত্রদল নেতা মাজহারুল ইসলাম ফেসবুকে পোস্ট করে বলেছেন যে 'বাবা-মায়ের সবচেয়ে অকর্মণ্য সন্তানদেরই সাংবাদিকতা পেশা বেছে নেয়'। সাংবাদিক নেতারা তার মন্তব্যকে অবমাননাকর বলে উল্লেখ করেছেন
নরসিংদী জেলার সাবেক ছাত্রদল নেতা মাজহারুল ইসলামের একটি ফেসবুক পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তার মন্তব্য সাংবাদিক সমাজকে অবমাননা করেছে বলে সাংবাদিক নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে তিনি তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে 'বাবা-মায়ের সবচেয়ে অকর্মণ্য সন্তানদেরই সাংবাদিকতা পেশা বেছে নেয়'।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নরসিংদী ছাত্রদল নেতা মাজহারুল ইসলামের ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, 'বাবা-মায়ের সবচেয়ে অকর্মণ্য সন্তানদেরই সাংবাদিক হয়'।
- 📌 তিনি দাবি করেছেন যে 'জলপরী নিউজ' শিরোনামের একটি নিউজ দেখে এমন মন্তব্য করেছেন, তবে তিনি পুরো নিউজ পড়েননি বা দেখেননি।
- 📌 নরসিংদী প্রেসক্লাবের সভাপতি মাখন দাস মন্তব্যটিকে অবমাননাকর বলে উল্লেখ করেছেন এবং সাংবাদিকদের ঘুলিয়ে ফেলার অভিযোগ করেছেন।
- 📌 মাজহারুল ইসলাম বলেছেন যে তিনি সকল সাংবাদিককে বলেননি, শুধুমাত্র কিছু সাংবাদিককে উল্লেখ করেছেন।
📰 বিস্তারিত
মাজহারুল ইসলামের ওই স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেছেন, 'জল পাড়া সাংবাদিকের নিউজ হলো জলপরী নিউজ... কিছু কিছু সাংবাদিক দেখলে মনে হয়, বাবা-মায়ের সব থেকে অকর্মা সন্তান গুলোই সাংবাদিক হয়'। তার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাংবাদিক নেতারা তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
মাজহারুল ইসলামের কথায়, 'মেইনস্ট্রিম কোন সাংবাদিক লিখেছে 'জলপরী' পাওয়া গেছে, এমনটা আপনি কোথায় পেয়েছেন' প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, 'আমি আসলে পুরো নিউজ পড়িনি কিংবা পুরো ভিডিও নিউজও দেখিনি, স্ক্রল করতে যেয়ে যেটুকু সামনে এসেছে সেটুকুই দেখেছি'।
নরসিংদী প্রেসক্লাবের সভাপতি মাখন দাস বলেছেন, 'সাংবাদিক সমাজকে অবমাননা করে এ রকম স্ট্যাটাস প্রত্যাশিত নয়। যারা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও সাংবাদিকদের ঘুলিয়ে ফেলেন তারাই এমন শব্দ চয়ন করে স্ট্যাটাস দিতে পারেন'।
"বাবা-মায়ের সবচেয়ে অকর্মা সন্তানগুলোই সাংবাদিক হয়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নরসিংদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাজহারুল ইসলাম (সাবেক ছাত্রদল নেতা), মাখন দাস (নরসিংদী প্রেসক্লাব সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০৩:৪৭ পিএম (পোস্টের সময়), ০৮ অক্টোবর (পোস্টের তারিখ), ০৬ অক্টোবর (মন্তব্যের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!