📌 নিউইয়র্কে তারেক রহমানের সাক্ষাত অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনার কারণে হাজারো বিএনপি নেতাকর্মী সাক্ষাত পাননি। ক্ষুব্ধ নেতারা আয়োজকদের দায়িত্বহীনতা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদানের জন্য ১৭ বছর পর নিউইয়র্ক সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
নিউইয়র্কে তারেক রহমানের সাক্ষাত অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনার কারণে বিএনপির হাজারো নেতাকর্মী সাক্ষাত পাননি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও মাত্র হাতেগোনা কিছু নেতাকর্মীকে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়। ক্ষুব্ধ নেতারা আয়োজক কমিটির দায়িত্বহীনতা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিউইয়র্ক সফরে তারেক রহমানের সাক্ষাত অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনার কারণে হাজারো নেতাকর্মী সাক্ষাত পাননি।
- 📌 মাত্র ১৫ জনেরও কম নেতাকর্মীকে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়, বাকি সবাই ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন।
- 📌 নিরাপত্তাজনিত কারণে সাক্ষাত অনুষ্ঠান দ্রুত শেষ হয়ে যায় এবং তারেক রহমানকে হোটেল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
- 📌 জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগদানের জন্য ১৭ বছর পর নিউইয়র্ক সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
- 📌 সংবর্ধনা আয়োজনের জন্য তৃণমূল নেতারা অর্থ খরচ করলেও শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠান বাতিল হয়।
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে ফিরে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরসঙ্গী ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। ৩৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন তিনি। সফর শেষে শুক্রবার রাত ১১টা ৩০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুবাই হয়ে ঢাকায় রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি হয়েছিল। তারা নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজনের জন্য দফায় দফায় বৈঠক করলেও কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি। অবশেষে শুক্রবার দুপুর ২টা থেকে তারেক রহমানের আবাসস্থল গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের লবিতে সাক্ষাত অনুষ্ঠান শুরু হলেও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে।
মিশিগান, টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া, বোস্টন, ফ্লোরিডা, পেনসিলভেনিয়াসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা হাজারো নেতাকর্মী সকাল থেকেই হোটেল প্রাঙ্গণে ভিড় জমাতেন। তারা দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করলেও সাক্ষাতের সুযোগ পাননি। বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে মাত্র ১৫ জনেরও কম নেতাকর্মীকে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়।
"আয়োজক কমিটির অব্যবস্থাপনা ও স্বজনপ্রীতির কারণে আমরা সাক্ষাত পাননি। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সফরে আয়োজকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল।"
ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা হট্টগোল শুরু করলে নিরাপত্তাজনিত কারণে সাক্ষাত অনুষ্ঠান দ্রুত শেষ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় তারেক রহমানকে হোটেল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ ও বিষণ্ণ মনেই হোটেল ত্যাগ করতে বাধ্য হন। তারা প্রধানমন্ত্রীকে খোঁজ নিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, গ্র্যান্ড হায়াত হোটেল, জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তারেক রহমান, ডা. জুবাইদা রহমান, বিএনপি নেতাকর্মীরা, আয়োজক কমিটি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ (প্রতিনিধি দলের সদস্য), ১৫ (সাক্ষাত পাওয়ার নেতাকর্মী), ৮১ (জাতিসংঘ অধিবেশনের তম), ১৭ (বছর পর ফিরে আসা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!