📌 নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক সোহেলকে আবারও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নারীকে মারধরের অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ৪ জুলাই মা-বাবাকে মারধরের অভিযোগে বহিষ্কৃত হওয়ার পর ৩০ জুলাই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক সোহেলকে আবারও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এইবার নারীকে মারধরের অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক সোহেলকে আবারও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে
- 📌 সহিংসতা ও মারধরের অভিযোগে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তে বহিষ্কার
- 📌 গত সোমবার রাতে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল হকের সঙ্গে থাকা নারী অর্চনা রানী দাসের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ
- 📌 ২ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে নারী মোজাম্মেল হককে মারধর অভিযোগ করেছেন
- 📌 গত ৪ জুলাই মা-বাবাকে মারধরের অভিযোগে বহিষ্কৃত হওয়ার পর ৩০ জুলাই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক সোহেলকে আবারও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
গত সোমবার রাতে নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল হক বারহাট্টায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান। এ সময় উপজেলা সদরের কোর্ট রোডে গুহিয়ালা এলাকায় মৃত অচিন্ত্য চন্দ্র দাসের স্ত্রী অর্চনা রানী দাস তাঁর পায়ে পড়ে কান্নাকাটি করেন। এই ঘটনার ২ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, অর্চনা রানী মোজাম্মেল হককে মারধরের অভিযোগ করেছেন।
অর্চনা রানী দাসের অভিযোগে মোজাম্মেল হক সোহেল বলেছেন, ‘আমি প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার। সাত বছর আগে তাঁর ভাবিকে এক লাখ টাকা ধার দিয়েছিলাম। সেই টাকা ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁদের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয়েছে। পরে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁকে প্ররোচিত করে এমপির কাছে নিয়ে গিয়ে মারধরের মিথ্যা অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন। পুরো অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।’
গত ৪ জুলাই মা-বাবাকে মারধরের অভিযোগে মোজাম্মেল হককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে সুপারিশ করার পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ জুলাই তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
"আমি প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার। আগেরবারও প্রতিপক্ষ আমাকে ফাঁসিয়েছিল। আমি মা-বাবার একমাত্র ছেলে। জমি লিখে নেওয়ার জন্য তাঁদের মারধর করার প্রয়োজন নেই। তাঁদের সবকিছুই তো আমার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলা, বিক্রমশ্রী গ্রাম, গুহিয়ালা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোজাম্মেল হক সোহেল, অর্চনা রানী দাস, আনোয়ারুল হক, আবদুল মোনায়েম মুন্না
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ মিনিট ২৮ সেকেন্ড, ৪ জুলাই, ৩০ জুলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!