📌 বিজেপি সমর্থক পরিবারের মেয়ে নেহা বোরা জেন-জি আন্দোলনের অন্যতম মুখে পরিণত হয়েছে। দিল্লির নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। পুলিশের হাতে আটক হওয়া সত্ত্বেও নেহা বোরা আন্দোলনকে জোরদার করছেন
বিজেপি সমর্থক পরিবারের মেয়ে নেহা বোরা জেন-জি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে উঠেছেন। দিল্লির যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিতে গিয়ে গলা ভেঙে যাওয়ার পরও তিনি বলেছেন, 'দিল্লিতে রক্তক্ষরণ হলে কলকাতা উঠে দাঁড়ায়, কলকাতার রক্ত বইলেও দিল্লি পাশে থাকবে না'।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেহা বোরা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিতে গিয়ে গলা ভেঙে যাওয়ার পরও জেন-জি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
- 📌 পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পরেও তিনি দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
- 📌 সিপিআইএমএল (লিবারেশন) দলের ছাত্র সংগঠন আইসার সভাপতি নেহা বোরা, যিনি দিল্লির জেএনইউ-তে পিএইচডি করছেন।
- 📌 মুখে কালি ছুড়ে মারা হলেও তিনি বলেছেন, 'দিল্লির আন্দোলনে প্যালেট গান ও লাঠিচার্জের মুখোমুখি হয়েছি, ভয় পাব না'।
- 📌 বিরোধী দলের দাবি অনুযায়ী, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জেন-জি আন্দোলনের মূল কারণ।
📰 বিস্তারিত
নেহা বোরা, যিনি বিজেপি সমর্থক পরিবারের মেয়ে, সিপিআই (এমএল) লিবারেশন পার্টির ছাত্র সংগঠন আইসার সভাপতি হিসেবে দিল্লির যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিচ্ছিলেন। তার ভাষণে তিনি বলেছিলেন, 'দিল্লিতে রক্তক্ষরণ হলে কলকাতা উঠে দাঁড়ায়, কলকাতার রক্ত বইলেও দিল্লি পাশে থাকবে না'।
সোমবার বিকেলে ভাষণ দিতে গিয়ে তার গলা ভেঙে যাওয়ার পরও তিনি বলেছিলেন, 'আমার গলা ও শরীরের যা অবস্থা যেমন ভাঙা, তেমনই অবস্থা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও এসআরএফটিআইএর'।
নেহা বোরা গত জুলাই মাসে মেডিকেল কলেজে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষা 'নিট'-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনশনরত অভিজিৎ দীপকে ও সোনম ওয়াংচুকের পাশাপাশি আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তার এই আন্দোলন সারা দেশের নজর কেড়েছিল।
নেহা বোরা উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা। তিনি প্রথমে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে আম্বেদকর ইউনিভার্সিটি থেকে এমএ সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি দিল্লির জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটি (জেএনইউ)-তে পিএইচডি করছেন।
"আমার গলা ও শরীরের যা অবস্থা যেমন ভাঙা তেমনই অবস্থা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও এসআরএফটিআইএর।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি (যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়), কলকাতা, ঝাড়খণ্ড (রাঁচি), বিহার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নেহা বোরা, জ্ঞানেশ কুমার, অভিজিৎ দীপক, সোনম ওয়াংচুক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ কিলোমিটার (যন্তর মন্তর থেকে নারেলা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!