📌 জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় ঢাকার জাতীয় জাদুঘরে আইনশৃঙ্খলা অবনতি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে গণবিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছে। দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন সরকারের একদলীয় সংবিধান সংস্কার কমিটিকে বাতিলের দাবি তুলেছেন
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা অবনতি ও দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় ঢাকার জাতীয় জাদুঘরের সামনে গণবিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই কর্মসূচিতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে সর্বসাধারণকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ অক্টোবর বিকাল ৩টায় ঢাকার জাতীয় জাদুঘরে আইনশৃঙ্খলা অবনতি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে গণবিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে।
- 📌 সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ভোগান্তির মধ্যে আছেন এবং সরকার কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
- 📌 রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য অভিযোগ করেছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংবিধান সংশোধনে ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।
- 📌 ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সরকার একদলীয় সংবিধান সংস্কার কমিটি গঠন করেছে, যা এনসিপি প্রত্যাখ্যান করেছে।
- 📌 মানবাধিকার অধ্যাদেশ দুর্বল করা হয়েছে এবং গুমের শিকারদের আইনগত অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে, বলে অভিযোগ করেছেন আখতার হোসেন।
📰 বিস্তারিত
এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ভোগান্তির মধ্যে আছেন। বিশেষত রাড্ডার ঘটনায় সরকার কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখেননি। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সমালোচনা করে বলেছেন, তারা সংবিধান সংশোধনে ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।
আখতার হোসেন আরও বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে বাংলাদেশের মানুষ সংবিধান সংস্কার কমিটি গঠনের জন্য রায় দিয়েছিলেন। কিন্তু সরকার একদলীয়ভাবে এই কমিটি গঠন করেছে, যা জনগণের রায়ের বাহিরে গেছে। তিনি দাবি করেছেন, এই একদলীয় কমিটি বাতিল করে জনগণের গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার কমিটি গঠন করা উচিত।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, শেখ হাসিনা আমলে মানবাধিকার পরিস্থিতি খুব কালো ছিল। সেই সময় থেকে উত্তরণের জন্য অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের আমলে কিছু মানবাধিকার অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই অধ্যাদেশগুলো দুর্বল করা হয়েছে। বিশেষত গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ অধ্যাদেশ দুর্বল করা হয়েছে, যার ফলে গুমের শিকাররা আইনগতভাবে আরও দুর্বল অবস্থায় পড়েছেন।
"আপনারা জানেন, বাংলাদেশে মানবধিকার পরিস্থিতির কালো অধ্যায় হাসিনা আমলে দেখেছি। সেই কালো অধ্যায় থেকে উত্তরণ করতে পারি না, কারণ এই সরকার মানবাধিকার অধ্যাদেশগুলো দুর্বল করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (জাতীয় জাদুঘর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সদস্য সচিব আখতার হোসেন (রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ অক্টোবর (৩ টা বিকাল), ১২ ফেব্রুয়ারি, ৪ (রংপুর-৪ আসন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!