📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গণঅভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তির বিপদে একত্রিত হতে হবে: ঢাবি সাবেক উপাচার্য নিয়াজ আহমেদের সতর্কবাণী

গণঅভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তির বিপদে একত্রিত হতে হবে: ঢাবি সাবেক উপাচার্য নিয়াজ আহমেদের সতর্কবাণী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শক্তি ফিরলে দেশের অস্তিত্ব বিপদে পড়বে। তিনি বলেছেন, এই বিপদ মোকাবেলায় সবাই একত্রিত হতে হবে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শক্তি আবার ফিরলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিপদে পড়বে বলে সতর্ক করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি বলেছেন, এই শত্রুকে এককভাবে মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। তাই জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জাতীয় ঐক্য: সংকট উত্তরণের উপায়’ শিরোনামে গোলটেবিল আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এই কথা বলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গণঅভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তি ফিরলে বাংলাদেশের প্রত্যেককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে সতর্ক করেছেন নিয়াজ আহমেদ খান।
  • 📌 এই বিপদ মোকাবেলায় নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান, সরকার বা ঘরানার মানুষ এককভাবে সম্ভব নয় — সবাই একত্রিত হতে হবে।
  • 📌 নেতিবাচক রাজনীতির কারণে দেশ বিভক্ত হয়ে পড়েছে, যা বর্তমান সংকটের মূল কারণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
  • 📌 তিনটি আশাব্যঞ্জক সুযোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন: তরুণ প্রতিষ্ঠান, সরকার-বিরোধী দলের ঐক্য, এবং গণঅভ্যুত্থানের সাক্ষী হিসেবে ঐক্য ধরে রাখা।
  • 📌 পতিত শক্তি ফিরলে দেশের অস্তিত্ব বিপদে পড়বে — এই কমন থ্রেটকে মোকাবেলায় একত্রিত হতে হবে।

📰 বিস্তারিত

‘জাতীয় ঐক্য: সংকট উত্তরণের উপায়’ শিরোনামে আয়োজিত সভায় নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, “নেতিবাচক রাজনীতির কারণে আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে বিভক্ত হয়ে গেছি। আমরা একটা কঠিন অবস্থায় আছি। রাজনীতির ওপরে গিয়ে সবাই চাই, বর্তমান সরকার সফল হোক, দেশে স্থিতিশীলতা থাকুক। কারণ, বহু মানুষের রক্তের ঋণ নিয়ে আমরা দাঁড়িয়ে আছি।” তিনি বলেন, ঐক্য ধরে রাখতে হলে বিভাজন কীভাবে তৈরি হয়েছে, তা বিশ্লেষণ করতে হবে।

অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান উল্লেখ করেন, “খুবই পদ্ধতিগতভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গত দুই দশকে আমরা বিভক্ত হয়ে গেছি। কট্টরবাদী ও উদারপন্থী—এমন বাইনারি তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু ইতিহাসের পরম্পরা আছে। ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৬৯, ১৯৭১, ১৯৯০, ২০২৪—এগুলো বাংলাদেশের জাতিসত্তার মূল পরিচায়ক। এগুলোকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু দাঁড় করানো হচ্ছে।”

তিনি তিনটি আশাব্যঞ্জক সুযোগের কথা উল্লেখ করেন:

  • তরুণদের প্রতিষ্ঠানগুলো ঐক্যের পথে ভূমিকা রাখছে, তাদের হাত ধরে রাখা প্রয়োজন।
  • বর্তমান সরকারি দল ও বিরোধী দল—সবাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি। ঐক্য নষ্ট করতে গণঅভ্যুত্থানকে ছোট করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
  • গণঅভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তিকে দুর্বল মনে করা যাবে না। এই কমন থ্রেট আমাদের একত্র করতে পারে।
"আমাদের সামনে এখনো একটা কমন থ্রেট আছে। গণঅভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তিকে দুর্বল মনে করার কোনো কারণ নেই। ফলে আমাদের ঐক্য প্রয়োজন। পতিত শক্তি যদি আবার ফেরত আসে, তার পরিণতি আমরা সবাই জানি। ফলে অস্তিত্বের জন্যই আমাদের হাত ধরে রাখা দরকার।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, জাতীয় প্রেসক্লাব
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান (ঢাবি সাবেক উপাচার্য)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (আশাব্যঞ্জক সুযোগ), ২০২৬ (বর্তমান বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖