📌 ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া এবং স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রকাঠামোর পরিবর্তন, বলেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, আন্দোলনে বিএনপির অনেক পাপের হিসাব তুলে আনা হয়নি এবং পুরোনো ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি ফিরে আসার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া এবং স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রকাঠামোর পরিবর্তন, বলেছেন বিএনপির রাজনীতিবিদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, গণঅভ্যুত্থানের উদ্দেশ্য ছিল শুধু একজন শাসকের পরিবর্তন নয়, বরং রাষ্ট্রের সংস্কার এবং জনগণের হাতে ক্ষমতার হস্তান্তর।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া এবং স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রকাঠামোর পরিবর্তন, বলেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- 📌 বিএনপির অনেক পাপের হিসাব তুলে আনা হয়নি, উল্লেখ করেছেন তিনি
- 📌 ২০০৭ সালের এক-এগারোর পেছনের রাজনৈতিক ব্যর্থতা এবং কর্নেল তাহেরের রক্তের প্রশ্ন সামনে না আনা হয়েছে
- 📌 গণঅভ্যুত্থানের পরও পুরোনো ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি ফিরে আসার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পাটওয়ারী
- 📌 রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সংবিধানে ক্ষমতার ভারসাম্য, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা, নিরপেক্ষ নির্বাচনব্যবস্থা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার দাবি তুলেছেন
📰 বিস্তারিত
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ‘হাসিনার মতো কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে আমরা বিএনপির অনেক পাপের হিসাব তুলিনি’। তিনি বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় অনেক বিষয় সামনে না আনলেও স্বৈরাচারের পতনের পর রাষ্ট্র ও রাজনীতির বিভিন্ন অনিয়মের হিসাব হওয়া প্রয়োজন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে, ‘কিন্তু ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পরও যদি পুরোনো ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি ফিরে আসে, তাহলে এত রক্ত, এত আত্মত্যাগ, এত মানুষের স্বপ্নের মূল্য কোথায়?’
পাটওয়ারী অতীতের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন, কর্নেল তাহেরের রক্তের প্রশ্ন, ২০০৭ সালের এক-এগারোর পেছনের রাজনৈতিক ব্যর্থতা এবং ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা কেন পূরণ হয়নি—এসব বিষয়ও সামনে আনা হয়নি। তিনি বলেছেন, এসব প্রশ্ন সামনে না আনার কারণ ছিল বাংলাদেশকে শুধু একজন শাসকের হাত থেকে মুক্ত করা নয়, বরং দেশের স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রকাঠামোরও পরিবর্তন ঘটানো।
রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেছেন, সংবিধানে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা, নিরপেক্ষ নির্বাচনব্যবস্থা, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন, পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাই ছিল সংস্কারের মূল প্রশ্ন। তিনি উল্লেখ করেছেন, কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামোগত সংস্কারও গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রত্যাশা ছিল।
"২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান কোনো দলের ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি ছিল না। এটি ছিল রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার ঐতিহাসিক দাবি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৪ (গণঅভ্যুত্থান), ২০০৭ (এক-এগারো), ১৯৯০ (গণঅভ্যুত্থান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!