📌 নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খানের সঙ্গে বিরোধের জেরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আনোয়ার প্রধান ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি শেখ আনজুম আহমেদের পদ স্থগিত করা হয়েছে। সাখাওয়াত হোসেন খান নিজেই পদ স্থগিতের চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খানের সঙ্গে দলীয় নেতাদের বিরোধের জেরে দু’জন নেতার পদ স্থগিত করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে অসদাচরণের অভিযোগে সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আনোয়ার প্রধান ও মহানগর বিএনপির ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি শেখ আনজুম আহমেদের পদ স্থগিতের চিঠি রোববার রাতে হোয়াটসঅ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খানের সঙ্গে বিরোধের জেরে দু’জন নেতার পদ স্থগিত করা হয়েছে — সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আনোয়ার প্রধান ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি শেখ আনজুম আহমেদ।
- 📌 ৬ অক্টোবর জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে অসদাচরণের অভিযোগে আনোয়ার প্রধানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাঁর জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় পদ স্থগিত করা হয়।
- 📌 সাখাওয়াত হোসেন খান নিজেই পদ স্থগিতের চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন, কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত হলেও সাংগঠনিক তদন্ত হয়নি বলে দাবি করেছেন সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান।
- 📌 আনোয়ার প্রধান দাবি করেছেন, আইনজীবীদের আন্দোলন বন্ধ রাখতে চাপ সৃষ্টি এবং বিশেষ পিপি নিয়োগের বিরোধের জেরে পদ স্থগিত করা হয়েছে।
- 📌 শেখ আনজুম আহমেদ দাবি করেছেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকলেও তাঁকে অন্যায়ভাবে পদ স্থগিত করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে গত ৬ অক্টোবর সাখাওয়াত হোসেন খানের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে আনোয়ার প্রধান ও শেখ আনজুম আহমেদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। আনোয়ার প্রধানের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাঁর পদ স্থগিত করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। শেখ আনজুম আহমেদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পদ স্থগিতের চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান। সাখাওয়াত হোসেন খান মহানগর বিএনপির আহ্বায়কের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি।
মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে কোনো সাংগঠনিক তদন্ত হয়নি। তবে অভিযোগ প্রমাণিত। তিনি আরও বলেন, আনোয়ার প্রধান মারমুখী হয়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ককে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন, এটা প্রমাণিত। আনোয়ারকে দল থেকে বহিষ্কারের জন্য চেয়ারম্যান বরাবর সুপারিশ করা হবে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে, আনোয়ার প্রধান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আইনের বাইরে তাঁরা আমার পদ স্থগিত করেছেন। তাঁরা সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদ স্থগিত করতে পারলেও মহানগর বিএনপির সদস্যপদ স্থগিত করতে পারেন না। অন্যায়ভাবে ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য আমার দুটি পদ স্থগিত করেছেন। আমার পদ স্থগিতের বিষয়ে কেন্দ্র কিছুই জানে না। আমি তাঁদের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দলের চেয়ারম্যান বরাবর আপিল করব।’
আনোয়ার প্রধান আরও দাবি করেছেন, দুটি আদালত একসঙ্গে রাখার দাবিতে আইনজীবীদের আন্দোলন বন্ধ রাখতে চাপ সৃষ্টি এবং বারের সদস্য নন এমন একজন জুনিয়র আইনজীবীকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিরোধের জেরে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শেখ আনজুম আহমেদের দাবি, ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকলেও তাঁকে অন্যায়ভাবে পদ স্থগিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ঘটনাস্থলে না থেকেও আমাকে শোকজ করা হয়েছে। শোকজের জবাব দেওয়ার পরও অন্যায়ভাবে পদ স্থগিত করা হয়েছে। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব গায়ের জোরে এটা করেছেন। বিষয়টি কেন্দ্রে জানানো হবে।’
"আইনের বাইরে তাঁরা আমার পদ স্থগিত করেছেন। তাঁরা সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদ স্থগিত করতে পারলেও মহানগর বিএনপির সদস্যপদ স্থগিত করতে পারেন না। অন্যায়ভাবে ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য আমার দুটি পদ স্থগিত করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি ভবন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাখাওয়াত হোসেন খান, এইচ এম আনোয়ার প্রধান, শেখ আনজুম আহমেদ, আবু আল ইউসুফ খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ অক্টোবর, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!