📌 বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ঠুনকো অজুহাতে মামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনাকে দেশের জন্য অশুভ লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন জামায়াতের সেলিম উদ্দিন। তিনি দাবি করেছেন, এই ধরনের ঘটনা বর্তমান সরকারের মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতির বিরুদ্ধে
বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ঠুনকো অজুহাতে গ্রেপ্তার ও মামলা দায়েরের ঘটনাকে বাংলাদেশের জন্য অশুভ লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির হিসেবে তিনি শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দেওয়া একটি বিবৃতিতে এই মন্তব্য করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুক্তিযুদ্ধের বীর মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ঠুনকো অজুহাতে মামলা ও গ্রেপ্তারকে দেশের অশুভ লক্ষণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জামায়াতের সেলিম উদ্দিন।
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, বিমানবন্দরে দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবহেলার বিরুদ্ধে কথা বলার জের ধরে মামলা ও গ্রেপ্তার করা সমীচীন নয়।
- 📌 সেলিম উদ্দিন বলেছেন, বিরোধী নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে এই ধরনের হয়রানি সংস্কৃতি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
- 📌 তিনি মামলা প্রত্যাহার ও মেজর আখতারুজ্জামানকে ডিবি অফিস থেকে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
বিবৃতিতে সেলিম উদ্দিন বলেছেন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে ভিআইপি ও সংসদ সদস্যদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে চরম ভোগান্তি ভোগ করতে হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশের স্বাধীনতার মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরে দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবহেলার বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য তার ওপর মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সেলিম উদ্দিন বলেছেন, যিনি যুদ্ধ না করলে দেশ স্বাধীন হতো না, সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে সামান্য কথা-কাটাকাটির জের ধরে মামলা ও গ্রেপ্তার করা কোনোভাবেই সমীচীন হতে পারে না। তিনি আরও বলেছেন, এই ধরনের ঠুনকো অজুহাতে মামলা ও গ্রেপ্তারের সংস্কৃতি দেশের জন্য কোনো ভালো লক্ষণ নয়।
তিনি দাবি করেছেন, বিগত ফ্যাসিবাদী মানসিকতা পরিহার করে বর্তমান সরকার আইনের শাসন, ইনসাফ ও মানুষের মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করবে। তবে, দায়িত্বশীল জায়গাগুলোতে যদি এখনও সেই পুরোনো স্বৈরাচারী কায়দায় তুচ্ছ অজুহাতে হয়রানি করা হয়, তাহলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
"বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে ভিআইপি এবং সংসদ সদস্যদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। যিনি যুদ্ধ না করলে দেশ স্বাধীন হতো না, সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে সামান্য কথা-কাটাকাটির জের ধরে কোনো দায়িত্বশীল সংস্থার পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করার পরিবর্তে উল্টো তার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া ও তড়িঘড়ি গ্রেপ্তার করা কোনোভাবেই সমীচীন হতে পারে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন (জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ অক্টোবর (বিবৃতির তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!