📌 ফটিকছড়ি-২ আসনের এমপি সরোয়ার আলমগীর মাদ্রাসায় মুজিববাদ ও মওদুদীবাদকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে জাতির উন্নয়নে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন
ফটিকছড়ি-২ আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর মাদ্রাসায় মুজিববাদ ও মওদুদীবাদকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে জাতি ও জীবন গঠনে। মাদ্রাসায় এই ধরনের রাজনৈতিক ধারার প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফটিকছড়ি মাদ্রাসায় মুজিববাদ ও মওদুদীবাদ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন এমপি সরোয়ার আলমগীর।
- 📌 তিনি বলেছেন, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে জাতির উন্নয়নে, এখানে রাজনৈতিক মতাদর্শের স্থান নেই।
- 📌 ৮ নভেম্বর দুপুরে অনুষ্ঠিত ফাতেহা-এ ইয়াজদাহুম অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন।
- 📌 ৪ মাস আগে তার নির্বাচন শপথ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল, কিন্তু তিনি বলেছেন, সব ষড়যন্ত্র রুখে ফটিকছড়ির উন্নয়ন চালিয়ে যাচ্ছেন।
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ শফিউল আলম নেজামী ও আবুল কালাম বয়ানীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
📰 বিস্তারিত
ফটিকছড়ি-২ আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে ফটিকছড়ির নাজিরহাটের জামিয়া মিল্লিয়া আহমদিয়া কামিল মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত ফাতেহা-এ ইয়াজদাহুম ও একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। তিনি বলেন, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দ্বীনি মশাল জ্বলানোর উদ্দেশ্যে, কিন্তু এখানে রাজনৈতিক মতাদর্শের স্থান নেই। তিনি বিশেষভাবে মুজিববাদ ও মওদুদীবাদকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।
সরোয়ার আলমগীর বলেন, তিনি নির্বাচিত হওয়ার পরও তার শপথ ৪ মাস বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, পরাজিত জামায়াত তখন বলেছিল, তিনি ৫ লাখ ভোট পেলেও এমপি হতে পারবেন না। কিন্তু তিনি বলেন, সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে তিনি ফটিকছড়ির উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হজরত আল্লামা কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সৈয়দ মুহাম্মদ খোরশিদ আলম উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন আহমদ হোসেন তালুকদার, নাজিম উদ্দীন শাহীন, নাছির উদ্দীন চৌধুরী, শাহ নেওয়াজ সেবুল, নুরুল আলম, মো. মোহাম্মদ সোলেমান, বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, আব্দুল মালেক ওবায়দুল হক, শাহ জামাল, মাওলানা আব্দুস সালাম, মো. সোয়েব চৌধুরী, জসীম উদ্দীন, মোহাম্মদ আজিজুল হক ও ডক্টর মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
"আমি নির্বাচিত হওয়ার পরও আমার শপথ ৪ মাস বাধাগ্রস্ত করে দুটি উপজেলার উন্নয়ন বঞ্চিত করা হয়েছিল। পরাজিত জামায়াত তখন বলেছিল, সরোয়ার আলমগীর ৫ লাখ ভোট পেলেও এমপি হতে পারবে না। দিন শেষে আমি ভোট পেলাম এবং সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে ফটিকছড়ির উন্নয়ন করে যাচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম (নাজিরহাট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এমপি সরোয়ার আলমগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ (ভোট), ৪ মাস (শপথ বাধাগ্রস্ত), ৮ নভেম্বর (তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!