📌 মিরপুর-১০ উচ্ছেদ অভিযানের পর জামায়াত আমিরের সস্তা রাজনীতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, ক্ষমা চাওয়া উচিত এবং জামায়াতের নির্বাচনী ব্যর্থতা সরকারের জবাবদিহির প্রমাণ
মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানের পর জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সস্তা রাজনীতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, উচ্ছেদের পর সস্তা রাজনীতি করতে এসেছেন জামায়াত আমির এবং জনগণের সামনে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুরে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক প্রচারণায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিরপুর-১০ উচ্ছেদের পর জামায়াত আমিরের সস্তা রাজনীতি সমালোচনা করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
- 📌 "লজ্জা থাকলে ক্ষমা চাওয়ার কথা" — মীর শাহে আলমের দাবি
- 📌 বিএনপি সরকারের জবাবদিহি প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন সাত মাসে মন্ত্রী ও এমপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া
- 📌 ইশরাক হোসেনের অস্ত্র নিয়ে ভাইরাল ভিডিওকে ইতিবাচক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ, কিন্তু পদ্ধতি ভুল বলে মন্তব্য
- 📌 ১১ দলীয় জোটের কারণে গাজী নজরুল ইসলামকে সংসদ থেকে বহিষ্কার না করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন
- 📌 জামায়াতের ৪০ হাজার ভোট কম পাওয়ার কারণ হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণার সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগ
- 📌 লোডশেডিংয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ করে বিরোধী দলের সস্তা রাজনীতি সমালোচনা
- 📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এমএ মুহিত বলেছেন, বিরোধী দল জনসভার রাজনীতিতে আটকে আছে
📰 বিস্তারিত
মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানের পর জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সস্তা রাজনীতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, "১০ নম্বরের উচ্ছেদ অভিযানের পর সস্তা রাজনীতি করতে এসেছেন জামায়াত আমির। লজ্জা থাকলে জনগণের সামনে ক্ষমা চাওয়ার কথা।" শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুরে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক প্রচারণায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বিরোধী দল বিএনপির কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, "জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করাই তাদের লক্ষ্য। জনগণ যাতে খুশি থাকে, সরকার সেই কাজই করে যাচ্ছে। বিএনপি ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেনি।" তিনি সরকারের জবাবদিহির বিষয়ে বলেন, "সাত মাসের মধ্যে কয়েকজন মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রমাণ করে, প্রধানমন্ত্রী কাউকে ছাড় দেবেন না।"
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করা ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের অস্ত্র নিয়ে ভাইরাল হওয়া ভিডিও প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "ঘটনাটি ইতিবাচক ছিল। ইশরাক জায়গা দখল করতে যাননি, মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়েছিলেন। তবে তার লড়াইয়ের পদ্ধতি ভুল ছিল।"
জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "১১ দলীয় জোট লোক দেখানোর জন্য তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে, কিন্তু সংসদ সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করেনি।" তিনি জামায়াত আমিরের উদ্দেশ্যে বলেন, "প্রধানমন্ত্রী ছোটখাটো ঘটনায়ও ব্যবস্থা নিচ্ছেন। অথচ বেহেশতের লোভ দেখিয়ে ভোট নেওয়া ও প্রতারণার অভিযোগের পরও গাজী নজরুলকে সংসদ থেকে বিদায় করা হয়নি। তাকে সংসদ থেকে সরানো হলে জনগণের আস্থা বাড়ত।"
মীর শাহে আলমের দাবি, এই কারণেই গতকালের (ঠাকুরগাও-১ আসনের উপনির্বাচন) নির্বাচনে জামায়াত ৪০ হাজার ভোট কম পেয়েছে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে ইউনিয়ন পরিষদ ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একের পর এক জামায়াতের প্রার্থীরা পরাজিত হলে দলটি প্রচারণার সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করবে।
গতকালের লোডশেডিংয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "লোডশেডিংয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং সমস্যা সমাধানে সরকারের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন। তবে বিরোধী দল এ নিয়ে সস্তা রাজনীতি করছে।"
এই অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এমএ মুহিত বলেন, "একটি বিরোধী দল এখনো জনসভার রাজনীতিতে আটকে আছে, যেখানে মানুষের উপস্থিতি থাকে না। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী জনসেবার রাজনীতি করছেন।" তিনি বলেন, "১৫০০ মানুষ নিয়ে বিলাসবহুল জনসভা না করে এলাকার ময়লা পরিষ্কার করুন। আসুন, শুধু এলাকার ময়লা নয়, ফ্যাসিবাদ ও দেশের যে জঞ্জাল আছে, একসঙ্গে পরিষ্কার করি।"
"১০ নম্বরের উচ্ছেদ অভিযানের পর সস্তা রাজনীতি করতে এসেছেন জামায়াত আমির। লজ্জা থাকলে জনগণের সামনে ক্ষমা চাওয়ার কথা"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীর শাহে আলম, এমএ মুহিত, ডা. শফিকুর রহমান, গাজী নজরুল ইসলাম, ইশরাক হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ (মিরপুর নম্বর), ৩১ (অক্টোবর), ৬ (ঢাকা আসন), ১১ (দলীয় জোট), ৪০ হাজার (ভোট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!