📌 মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি সালমানের সঙ্গে পুরোনো সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন এবং হামলার পেছনে কোনো গোপন উদ্দেশ্য থাকতে পারে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন
মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি সালমানের সঙ্গে নিজের পুরোনো সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন এবং হামলার পেছনে কোনো গোপন উদ্দেশ্য থাকতে পারে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাসে মেঘনা আলম সালমানের সঙ্গে তার অতীত সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় মেঘনা আলম প্রশ্ন তুলেছেন এবং হামলাকারীদের নাম-চেহারা না জানা ও চাঁদা দাবি না করার কথা উল্লেখ করেছেন।
- 📌 মেঘনা আলম সালমানকে অন্য অনেকের মতো বিচার না করে তার ছোট ছোট উন্নতির প্রশংসা করেছেন, কিন্তু পরবর্তী সময়ে সালমানের কিছু কর্মকাণ্ডে হতাশ হয়ে তাকে বন্ধু তালিকা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন।
- 📌 ইউনূস সরকারের সময়ে মেঘনা আলমকে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তার ফোন ও ম্যাকবুকের পাসওয়ার্ড দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
- 📌 সালমান মেঘনা আলমের বিরুদ্ধে নির্বাচনের সময় কিছু ফালতু পোস্ট করে পাবলিকের সামনে ছোট করার চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
- 📌 অতীতে একটি শিশুধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষকের সাফাই গাওয়ার কারণে মেঘনা আলম সালমানকে আনফ্রেন্ড করেছিলেন।
📰 বিস্তারিত
মেঘনা আলম তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন, একসময় সালমান তার কষ্টে কষ্টিত হয়ে বাসায় এসে বাসন ধুয়ে দেওয়ার কথাও বলেছিলেন। তিনি সালমানকে অন্য অনেকের মতো বিচার না করে তার ছোট ছোট উন্নতিরও প্রশংসা করেছেন। তবে পরবর্তী সময়ে সালমানের কিছু কর্মকাণ্ডে হতাশ হয়ে একপর্যায়ে তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্ধু তালিকা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন।
মেঘনা আলম ইউনূস সরকারের সময়ে তার ফোন ও ম্যাকবুকের পাসওয়ার্ড দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল বলে উল্লেখ করেছেন। সে সময় এক তদন্ত কর্মকর্তা সালমানের সঙ্গে তার বার্তা দেখে মন্তব্য করেছিলেন, ‘এই সালমান মুক্তাদির দুনিয়ার সব গণ্ডগোলে কীভাবে ঢুকে পড়ে?’
মেঘনা আলম সালমানের স্টুডিওতে হামলার প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘উড়ে এসে জুড়ে কেউ তার স্টুডিও ভেঙে দিয়ে গিয়েছে, আর সে নাম-চেহারা কিছুই জানে না, তার কাছে চাঁদাও কেউ চায়নি, কিন্তু সে অন্তর্যামী হয়ে জানে এটা বিএনপির কাজ!? এসব আমার কাছে পানির মত পরিষ্কার লাগছে না।’
মেঘনা আলম সালমানকে ‘ব্রাউনফিশ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, ‘সালমান দ্য ব্রাউন ফিশ এমনিতেই ঘোলা জলের মাছ। এর পেছনে কোন হিডেন অ্যাজেন্ডা আছে কিনা খোঁজ নেয়া উচিত।’
"উড়ে এসে জুড়ে কেউ তার স্টুডিও ভেঙে দিয়ে গিয়েছে, আর সে নাম-চেহারা কিছুই জানে না, তার কাছে চাঁদাও কেউ চায়নি, কিন্তু সে অন্তর্যামী হয়ে জানে এটা বিএনপির কাজ!? এসব আমার কাছে পানির মত পরিষ্কার লাগছে না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসিবি চত্বরের সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিও
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!