📌 সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা টেকসই গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকারের চাপ না থাকলেও অনেক সাংবাদিক নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করেন
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণমাধ্যম যদি শক্তিশালী হয় তাহলে গণতন্ত্র টেকসই হবে। তবে দেশের সংবাদমাধ্যমের মালিকানা কাঠামো ও আর্থিক বাস্তবতা সাংবাদিকতার স্বাধীনতার পথে বড় বাধা বলে তিনি স্বীকার করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গণমাধ্যমের স্বাধীনতা টেকসই গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
- 📌 সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি চাপ না থাকলেও অনেক সংবাদকর্মী নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
- 📌 সংবাদমাধ্যমের কর্মপরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনেক সাংবাদিককে নোটিশ ছাড়াই চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয়।
- 📌 গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি হলো ভিন্নমতকে সম্মান করা বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণমাধ্যম যদি শক্তিশালী হয় তাহলে গণতন্ত্র টেকসই হবে। তবে দেশের সংবাদমাধ্যমের মালিকানা কাঠামো ও আর্থিক বাস্তবতা সাংবাদিকতার স্বাধীনতার পথে বড় বাধা বলে তিনি স্বীকার করেন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে টিভি এডিটরস কাউন্সিলের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘টেকসই গণতন্ত্রের জন্য পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে হাজার বছর লেগেছে। কিন্তু আমরা অস্থির।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবাই চাই চমৎকার একটি গণমাধ্যম থাকবে, আলোচনা-সমালোচনা সবই হবে। তবে টকশোতে আলোচনা শুনলে মনে হয়, সরকার চরম ব্যর্থ, দেশ ধ্বংস হয়ে গেছে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি চাপ না থাকলেও অনেক সংবাদকর্মী নিজেরাই আত্মনিয়ন্ত্রণ বা আত্মসংযমের পথে হাঁটেন। এ প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে সত্য প্রকাশের সাহস দেখাতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার রক্ষায় আরও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
"গণমাধ্যম যদি শক্ত থাকে গণতন্ত্র টেকসই হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টিভি এডিটরস কাউন্সিলের অনুষ্ঠান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সাংবাদিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!