📌 এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, সরকার ও বিএনপি নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নেবে না এবং নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঘোষণা করেছেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে সরকার বা বিএনপি কোনো কলঙ্ক নেবে না এবং নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের ঘোষণা
- 📌 সারের কৃত্রিম সংকটের দায় সাবেক সরকার ও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ডিলারদের ওপর নিবদ্ধ করেছেন প্রতিমন্ত্রী
- 📌 জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের এলাকায় সারের সংকট দেখা গেছে, কিন্তু বিএনপির এলাকায় এমন সংকট হয়নি
- 📌 প্রতি ইউনিয়নে নতুন ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার প্রতিশ্রুতি
- 📌 বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা কিছুটা সমাধান হলেও পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার জন্য আরো সময় লাগবে
- 📌 আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে সরকার, বিরোধী দলের দাবি স্বীকার করে প্রতিমন্ত্রী
📰 বিস্তারিত
৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউসে জেলা আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় যোগ দেওয়ার আগে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। তিনি সারের সংকটের বিষয়ে বলেন, অতীতে দেশে সারের কোনো প্রকৃত সংকট ছিল না, বরং কৃত্রিমভাবে সংকট সৃষ্টি করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছিল নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল ও ফ্যাসিস্ট সরকারের কিছু ডিলারদের দ্বারা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কুড়িগ্রামসহ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের এলাকায় সারের সংকট দেখা গেছে, কিন্তু বিএনপির সংসদ সদস্যদের এলাকায় এমন কোনো সংকট হয়নি।
সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেন, প্রতি ইউনিয়নে আরও একজন করে নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি কৃষকদের আশ্বস্ত করেন, ভবিষ্যতে সারের আর কোনো সংকট হবে না। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেতারা জাতীয় সংসদে দাবি করেছিলেন যে, এই সমস্যা বিএনপি সরকার উত্তরাধিকার সূত্রেই পেয়েছে। বর্তমানে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যার কিছুটা সমাধান হলেও পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার জন্য আরো কিছু সময় লাগবে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিরোধী দল যেকোনো বিষয়েই সরকারের ওপর দায় চাপাবে, এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। তবে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
"একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউস, জেলা আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীর শাহে আলম (প্রতিমন্ত্রী), মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা (বিএনপি আহ্বায়ক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (জুন), ৩০ (সেপ্টেম্বর), ১১ (টায়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!