📌 প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ বেশি হলেও প্রার্থী হিসেবে তাদের উপস্থিতি খুবই কম। তিনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মানসিকতা ও সংস্কৃতিগত প্রতিরোধকে প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণের বিপরীতে প্রার্থী সংখ্যা খুবই কম — এই বাস্তবতা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মানসিকতার কারণে সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন আজ সোমবার নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে জেন্ডার ইকুয়ালিটি বিষয়ে কর্মশালায় এই কথা বলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ বেশি হলেও প্রার্থী হিসেবে তাদের উপস্থিতি খুবই কম
- 📌 সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মানসিকতা ও সংস্কৃতিগত প্রতিরোধ প্রধান বাধা হিসেবে কাজ করছে
- 📌 ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে নারী ভোটারের সংখ্যা পুরুষের চেয়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন বেশি
- 📌 বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে টেকসই করতে নারী নাগরিকদের প্রায় ৫০ শতাংশ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে
- 📌 নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ‘বিপ্লব নয়, বিবর্তন’ নীতিতে এগোতে হবে
📰 বিস্তারিত
সিইসি নাসির উদ্দিন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত ব্যাপক হলেও প্রার্থী হিসেবে নারীদের উপস্থিতি খুবই কম। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই বাস্তবতার পেছনে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মানসিকতা বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘কোনো পরিবর্তন আনার আগে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে হয়। শুধু প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করলেই হবে না, পর্যাপ্ত সচেতনতা সৃষ্টি করতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না।’
সিইসি বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও মানুষের বিশ্বাসকে বিবেচনায় নিয়ে ‘বিপ্লব নয়, বিবর্তন’ নীতিতে এগোতে হবে। তিনি বলেন, ‘দেশের বাস্তবতা, সংস্কৃতি ও মানুষের বিশ্বাসকে বিবেচনায় নিতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবগুলোকে র্যাডিক্যাল বা অতিরিক্ত সংস্কারের প্রস্তাব হিসেবে দেখলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না।’
সিইসি আরও বলেন, নির্বাচনের বিভিন্ন পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে — প্রার্থী, প্রচারক, প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার, পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে। তিনি বলেন, ‘নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর কৌশল হতে হবে তথ্য-প্রমাণভিত্তিক, বাস্তবসম্মত ও পরিমাপযোগ্য।’
"আমাদের আরপিওসহ বিভিন্ন আইনে এ বিষয়ে বিধান রয়েছে। তারপরও আমরা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছি না। কারণ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজন আইন বাস্তবায়নে যথেষ্ট প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন। তাই অন্য অংশীজনদের অঙ্গীকারও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ অক্টোবর (ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন), ১ হাজার ৫০০ জন (নারী ভোটার), ৫০ শতাংশ (নারী অংশগ্রহণের লক্ষ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!