📌 কুষ্টিয়া মিরপুরের নাশকতা মামলায় কৃষক লীগ নেতা হাফিজুর রহমানকে আটক করার পর জামায়াত ও বিএনপির ৮ নেতা-কর্মী তদবিরে গ্রেপ্তার হন। পরে উভয় পক্ষের দায়িত্বশীল নেতাদের জিম্মায় মুচলেকা দিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বরিশালে আওয়ামী লীগের ১২ নেতাকর্মীকে গোপন বৈঠক মামলায় আটক করা হয়েছে
কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলায় নাশকতার অভিযোগে কৃষক লীগের নেতা হাফিজুর রহমানকে আটক করার পর জামায়াত ও বিএনপির আট নেতা-কর্মী তদবিরে গ্রেপ্তার হন। পরে উভয় পক্ষের দায়িত্বশীল নেতাদের জিম্মায় মুচলেকা দিয়ে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বরিশালে আওয়ামী লীগের ১২ নেতাকর্মীকে গোপন বৈঠক মামলায় আটক করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুষ্টিয়া মিরপুরের চিথলিয়া ইউনিয়নের কৃষক লীগ সভাপতি হাফিজুর রহমানকে নাশকতা মামলায় রাত ১২টার দিকে আটক করা হয়
- 📌 হাফিজুরকে মুক্তি দেওয়ার তদবিরে জামায়াত ও বিএনপির ৮ নেতা-কর্মী আটক হন: সিরাজুল ইসলাম (৪৫), মারুফ (২১), বাশার (৩৫), মফিজুল প্রামাণিক (৪০), জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০), বাদল প্রামাণিক (৫০), মেহেরুল ইসলাম (৪৫), শহীদুল ইসলাম (৫৩)
- 📌 মুচলেকা নিয়ে উভয় পক্ষের দায়িত্বশীল নেতাদের জিম্মায় আটকদের মুক্তি দেওয়া হয়
- 📌 মিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, নাশকতার মামলায় হাফিজুরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে
- 📌 বরিশালে গোপন বৈঠক মামলায় আওয়ামী লীগের ১২ নেতাকর্মীকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ আটক করেছে
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া গ্রামে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হাফিজুর রহমানকে তাঁর বাড়ি থেকে আটক করে নেয়। তিনি চিথলিয়া ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি। হাফিজুরকে আটক করার খবর পেয়ে রাত ২টায় স্থানীয় জামায়াত ও বিএনপির আট নেতা-কর্মী থানায় যান। তাঁরা হাফিজুরকে মুক্তি দেওয়ার জন্য পুলিশ ও ওসির কাছে তদবির করতে থাকেন। পরে তাঁদেরও আটক করা হয়।
মিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদ জানান, থানায় যাওয়া ব্যক্তিরা তাঁদের দলের সমর্থক। তবে তাঁরা সতর্ক করে দিয়েছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। অন্যদিকে আটক সিরাজুল ইসলামের বিষয়ে মিরপুর উপজেলা জামায়াতের আমির রেজাউল করিম বলেন, ‘সিরাজুল ইসলাম প্রতিবেশী হিসেবে থানায় গিয়েছিলেন। তিনি আগে ফ্যাসিস্ট আমলে আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিলেন, কিন্তু পরে সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করতেন। আমাদের সঙ্গেও তাঁর ভালো সম্পর্ক ছিল।’
মিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, নাশকতার মামলার আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য নিষেধ করা সত্ত্বেও তাঁরা বারবার তদবির করতে থাকেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে মুচলেকা দিয়ে উভয় দলের দায়িত্বশীল নেতাদের জিম্মায় আটকদের মুক্তি দেওয়া হয়। ওসি আরও বলেন, হাফিজুর রহমানকে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
"নাশকতার মামলায় হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বরিশাল নগরীতে গোপন বৈঠক করার অভিযোগে নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের ১২ নেতাকর্মীকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলা, চিথলিয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাফিজুর রহমান (কৃষক লীগ সভাপতি), সিরাজুল ইসলাম (জামায়াত আমির), মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ জন আটক নেতা-কর্মী, ১২ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, ৪৫ বছর (সিরাজুল ইসলাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!