📌 জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলের ঐক্য ৩১ অক্টোবর খুলনা বিভাগে লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে। তারা সরকারের সংবিধান সংস্কারের আইনি পদ্ধতি উপেক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা সংকটের প্রতিবাদে সাত দফা দাবি তুলেছে। কর্মসূচিতে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত এক হাজার যানবাহন অংশ নেবে
৩১ অক্টোবর খুলনা বিভাগে ১১ দলের ঐক্য লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে। এই কর্মসূচিতে সরকারের সংবিধান সংস্কারের আইনি পদ্ধতি উপেক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা সংকটের প্রতিবাদসহ সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়েছে। আজ রোববার যশোরের প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩১ অক্টোবর খুলনা বিভাগে ১১ দলের ঐক্য লংমার্চের আহ্বান জানানো হয়েছে।
- 📌 ৭০ শতাংশ ভোটার গণভোটে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন, কিন্তু সরকার গণরায় উপেক্ষা করে একদলীয়ভাবে সংবিধান সংশোধন করছে।
- 📌 লংমার্চের সাত দফা দাবি রয়েছে: আইনি পদ্ধতিতে সংবিধান সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা উন্নতি, দাম নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি সংকট দূরীকরণ, প্রশাসনিক দলীয়করণ বন্ধ, দুর্নীতি ও দখলদারি রোধ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দায়িত্বীদের বিচার।
- 📌 কর্মসূচি শুরু হবে ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে সকাল ৭টায় এবং ১২ ঘণ্টাব্যাপী চলবে।
- 📌 লংমার্চ বহরে প্রায় এক হাজার যানবাহন অংশ নেবে, যা ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত যাত্রা করবে।
📰 বিস্তারিত
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ ভোটার সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে সংস্কার বাস্তবায়নের পক্ষে রায় দিয়েছেন। কিন্তু সরকার গণরায় উপেক্ষা করে বিরোধী দলগুলোকে বাদ দিয়ে একদলীয়ভাবে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিচ্ছে। শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের নেতারা এই পদক্ষেপকে ইতিমধ্যে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
লংমার্চের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে: গণভোটের রায়ের আলোকে আইনি পদ্ধতিতে সংবিধান সংস্কার করা, দেশের অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম নিয়ন্ত্রণে আনা, বিদ্যুৎ-জ্বালানি-গ্যাস ও সারের সংকট দূর করা, প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ বন্ধ করা, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ করা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দায়িত্বীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার সম্পন্ন করা।
৩১ অক্টোবর সকাল সাতটায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চ শুরু হবে। যশোর শহরের মুরলীর মোড় ও ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালসহ পথে বিভিন্ন স্থানে সংক্ষিপ্ত পথসভা শেষে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ মাঠে সমাপনী জনসভার মাধ্যমে ১২ ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি শেষ হবে।
লংমার্চ বহরে প্রায় এক হাজার যানবাহন যুক্ত হতে পারে। বহরটি ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, শরীয়তপুরের নাওডোবা, রাজশাহীর কাটাখালী মোড়, খুলনার শিববাড়ী ও ফুলতলা, যশোরের মুরলীর মোড় ও ঝিনাইদহ টার্মিনাল হয়ে কুষ্টিয়া পৌঁছাবে। কর্মসূচি চলাকালে সড়ক-মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সংস্কারের জন্য সড়ক বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি লংমার্চের নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
"গণভোটে ৭০ শতাংশ ভোটার সংবিধান সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন, কিন্তু সরকার গণরায় উপেক্ষা করে একদলীয়ভাবে সংবিধান সংশোধন করছে। এই পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের জন্য আমরা লংমার্চের আহ্বান জানাচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা বিভাগ (ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত পথ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, শফিকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ অক্টোবর, ১১ দল, ৭০ শতাংশ, ১২ ঘণ্টা, এক হাজার যানবাহন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!