📌 দুর্গাপূজা ছুটির সময় সাংবাদিকরা উৎসবের খবর সংগ্রহ ও প্রকাশের দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের ব্যক্তিগত জীবন ও ছুটির অধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিক এম জহিরুল ইসলাম বলেছেন, সাংবাদিকদেরও উৎসবের অধিকার আছে
দুর্গাপূজা ছুটির সময় সাংবাদিকরা অন্যরা যেভাবে উৎসব উপভোগ করছেন, সেভাবে নিজেদের ছুটি উপভোগ করতে পারছেন না। সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ দিনের ছুটির সুযোগ থাকলেও সাংবাদিকদের দায়িত্বের চাপ বাড়ছে। পূজামণ্ডপে মানুষের ভিড়, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানজট, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং ধর্মীয় ঐক্যের চিত্র সংগ্রহ করে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সাংবাদিকদের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটতে হয়। অন্যরা যখন পরিবারসঙ্গী উৎসব উপভোগ করছেন, তখন সাংবাদিকরা সেই উৎসবের খবর সংগ্রহ ও প্রকাশের দায়িত্বে থাকেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুর্গাপূজা ছুটির সময় সাংবাদিকদের দায়িত্বের চাপ বাড়ে, তাদের ছুটি বাড়ে না
- 📌 পূজামণ্ডপে মানুষের ভিড়, নিরাপত্তা ও যানজটের খবর সংগ্রহের দায়িত্ব সাংবাদিকদের
- 📌 ২৪ ঘণ্টা সচল থাকা সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব একই সাংবাদিকদের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে
- 📌 সাংবাদিক এম জহিরুল ইসলাম বলেছেন, সাংবাদিকদেরও উৎসবের অধিকার আছে, কিন্তু তাদের ছুটির খবর কে রাখে?
📰 বিস্তারিত
দুর্গাপূজা ছুটির সময় সাংবাদিকদের দায়িত্বের চাপ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ দিনের ছুটির সুযোগ থাকলেও সাংবাদিকদের জন্য কোনো বিশেষ ছুটি নেই। তারা পূজামণ্ডপে মানুষের ভিড়, নিরাপত্তা পরিস্থিতি, যানজট, প্রশাসনের প্রস্তুতি এবং ধর্মীয় ঐক্যের চিত্র সংগ্রহ করে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বাধ্য হন। অন্যরা যখন ঘরে ফিরছেন, তখন অনেক সাংবাদিকের কর্মস্থলে থাকার পালা শুরু হয়।
সাংবাদিক এম জহিরুল ইসলাম বলেছেন, “ক্যালেন্ডারে লাল দাগ থাকলেও সংবাদপত্রের পাতা সাদা থাকে না। টেলিভিশনের পর্দা অন্ধকার হয় না। অনলাইন নিউজ পোর্টালের আপডেট থেমে থাকে না। কারণ, মানুষের জানার অধিকার ছুটিতে যায় না। কিন্তু প্রশ্ন হলো—সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত জীবন কি ছুটিতে যায়? তাদেরও পরিবার আছে, সন্তান আছে, বাবা-মা আছে। উৎসব আছে, আবেগ আছে, ক্লান্ত শরীর নিয়ে একটু বিশ্রামের প্রয়োজন আছে।”
তিনি আরও বলেছেন, “দায়িত্বের কারণে যদি উৎসবের দিনগুলোতে কাজ করতেই হয়, তাহলে সেই শ্রমের স্বীকৃতি কোথায়? বিকল্প ছুটি, রোস্টারভিত্তিক দায়িত্ব কিংবা অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার যথাযথ মূল্যায়ন—এসব কি নিশ্চিত করা যায় না?”
"সাংবাদিকদের ছুটি কোনো বিলাসিতা নয়; এটি কর্মজীবনের স্বাভাবিক অধিকার। সংবাদমাধ্যম ২৪ ঘণ্টা সচল থাকবে—এটি প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু সেই ২৪ ঘণ্টার দায়িত্ব যেন একই মানুষদের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়ার নাম না হয়। সবার ছুটির খবর আমরা প্রকাশ করি। কিন্তু সাংবাদিকদের ছুটির খবর কে রাখে?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাংবাদিকদের কর্মস্থল, পূজামণ্ডপ, ঢাকা ও অন্যান্য শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম জহিরুল ইসলাম (সাংবাদিক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা (সংবাদমাধ্যমের সচল সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!