📌 জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বিএনপির বিরুদ্ধে মুনাফেকি অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জমিয়তের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে বিএনপি আন্তরিকতা দেখায়নি এবং নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন অপব্যবহারও হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বিএনপির বিরুদ্ধে মুনাফেকি অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিএনপি দলের প্রার্থীকে জয়ী করতে প্রত্যাশিত সহযোগিতা প্রদান করেনি এবং নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন অপব্যবহারও হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুনায়েদ আল হাবিব বলেছেন, বিএনপি তার সঙ্গে ‘মুনাফেকি’ করেছে এবং জমিয়তের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে আন্তরিকতা দেখায়নি
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির শক্তিশালী ঘাঁটি, কিন্তু নির্বাচনে জমিয়তের প্রার্থীকে সহায়তা না করার অভিযোগ
- 📌 আওয়ামী লীগপন্থি প্রায় ৩০ শতাংশ নেতা-কর্মীকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে রুমিন ফারহানার পক্ষে আনার চেষ্টা করা হয়েছে
- 📌 নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে রঙিন বিলবোর্ড স্থাপন, জীবন্ত হাঁস নিয়ে মিছিল এবং প্রশাসনের সহায়তায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ
- 📌 নির্বাচনের দিন জমিয়তের প্রার্থীকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য কিছু কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে
- 📌 জমিয়তের দাবি, বিএনপির সঙ্গে জোটের কারণে আলেম-ওলামাদের সমর্থনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন
- 📌 বৃহত্তর ইসলামি ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটি গঠিত হয়েছে; বিএনপির সঙ্গে থাকা জোট থেকে বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা
📰 বিস্তারিত
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিএনপির বিরুদ্ধে মুনাফেকি অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি বিএনপির শক্তিশালী ঘাঁটি হলেও নির্বাচনের সময় দলটি জমিয়তের প্রার্থীকে যথাযথ সহযোগিতা প্রদান করেনি। জুনায়েদ আল হাবিবের দাবি, বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার পক্ষে কাজ করেছেন, যা জমিয়তের প্রার্থীকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
জুনায়েদ আল হাবিব আরও অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগপন্থি প্রায় ৩০ শতাংশ নেতা-কর্মীকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে রুমিন ফারহানার পক্ষে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে রঙিন বিলবোর্ড স্থাপন, জীবন্ত হাঁস নিয়ে মিছিল এবং প্রশাসনের সহায়তায় নির্বাচনী এলাকায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও তোলেন তিনি।
জুনায়েদ আল হাবিবের দাবি, নির্বাচনের দিন তার বিজয়ের সম্ভাবনা বেশি ছিল এমন কয়েকটি কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। ফলে ভোটের মাঠে জমিয়তের প্রার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে মনে করেন তিনি। তিনি আরও বলেছেন, বিএনপির সঙ্গে জোটের কারণে আলেম-ওলামাদের সমর্থনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আন্তরিকভাবে জমিয়তের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করত, তাহলে বিজয় সম্ভব ছিল বলে তিনি দাবি করেছেন।
বৃহত্তর ইসলামি ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির প্রসঙ্গে জুনায়েদ আল হাবিব বলেছেন, হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন ইসলামি দলের শীর্ষ নেতাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি কাজ করছে। তিনি জানান, বৃহত্তর ইসলামি প্ল্যাটফর্ম যদি কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বাধীন জোটে না থাকার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ বিএনপির সঙ্গে থাকা জোট থেকেও বেরিয়ে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
"বিএনপি আমার সঙ্গে মুনাফেকি করেছে। সরাইল-আশুগঞ্জ আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির শক্তিশালী ঘাঁটি, কিন্তু নির্বাচনের সময় তারা জমিয়তের প্রার্থীকে যথাযথ সহযোগিতা প্রদান করেনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ), ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ শতাংশ (আওয়ামী লীগপন্থি নেতা-কর্মী), ২ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!