📌 জয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের ক্ষোভের মুখে হট্টগোল হয়। শেখ মুজিবকে ‘জাতির পিতা’ বলে সম্বোধন করায় সভাস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী তদন্তের নির্দেশ দেন
জয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের ক্ষোভের মুখে হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী তদন্তের নির্দেশ দেন। শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ ও ‘বঙ্গবন্ধু’ বলে সম্বোধন করায় সভাস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জয়পুরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভার ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের ক্ষোভের মুখে অনুষ্ঠান বিলম্বিত হয়
- 📌 প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী মঞ্চে উঠেননি, পরে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া ও কর্মকর্তারা জিয়াউর রহমানের ছবি সাঁটিয়ে দেন
- 📌 জিয়া পরিষদের জয়পুরহাট পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান শেখ মুজিবকে ‘জাতির পিতা’ ও ‘বঙ্গবন্ধু’ বলে সম্বোধন করায় সভাস্থলে হট্টগোল হয়
- 📌 জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ উত্তেজিত হয়ে মঞ্চের ডায়াসের দিকে যান, মারুফ হাসানকে ডায়াস থেকে সরিয়ে দিলে সভা পুনরায় শুরু হয়
- 📌 জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাব বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের দোসররা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বিতর্কিত করতে চায়’
- 📌 প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, ‘ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত হয়ে থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে’
📰 বিস্তারিত
আজ শনিবার সকাল ১০টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়নি। বিএনপির নেতা-কর্মীদের ক্ষোভের মুখে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া ও কর্মকর্তারা জিয়াউর রহমানের ছবি-সংবলিত পোস্টার কসটেপ দিয়ে ব্যানারে সাঁটিয়ে দেন। এরপর প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী মঞ্চে উঠলে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
সভায় জিয়া পরিষদের জয়পুরহাট পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান বক্তব্য দেন। তিনি শেখ মুজিবুর রহমানকে একাধিকবার ‘জাতির পিতা’ ও ‘বঙ্গবন্ধু’ বলে সম্বোধন করেন। এ নিয়ে সভাস্থলে হট্টগোল শুরু হয়। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ উত্তেজিত হয়ে মঞ্চের ডায়াসের দিকে তেড়ে যান। মারুফ হাসানকে ডায়াস থেকে সরিয়ে দিলে সভা পুনরায় শুরু হয়।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাব বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের বিদায় হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনে এখনো ফ্যাসিবাদের দোসররা রয়ে গেছে। তাঁরা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বিতর্কিত করতে চায়। জয়পুরহাটেও ফ্যাসিবাদ থেকে গেছে বলে তাঁরা মনে করেন।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনে জেলা প্রশাসন আরও সতর্ক থাকবে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান বলেন, ‘১৯ বছর পর তাঁরা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ঘিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানের ব্যানারেই তাঁর ছবি ছিল না। এ ঘটনায় দলের নেতা-কর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে।’
"ফ্যাসিবাদের দোসররা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বিতর্কিত করতে চায়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জয়পুরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মারুফ হাসান (জিয়া পরিষদের জয়পুরহাট পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক), আল-মামুন মিয়া (জেলা প্রশাসক), আব্দুল বারী (খাদ্য প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ বছর (১৯ বছর পর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!