📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জামায়াতের লংমার্চে ঝামেলা-প্ল্যান ও উসকানি: রাশেদ খাঁনের অভিযোগ

জামায়াতের লংমার্চে ঝামেলা-প্ল্যান ও উসকানি: রাশেদ খাঁনের অভিযোগ

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেছেন, জামায়াতের লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলা করার প্ল্যান ছিল। তিনি দাবি করেছেন, দলটি রাতের বেলা লাঠিসোটা জড়ো করেছিল এবং উসকানিমূলক স্লোগান দিয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন জামায়াতের লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলা করার অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করলেও দলটি ঝামেলা সৃষ্টির প্ল্যান করেছিল। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জামায়াতের লংমার্চে প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করলেও দলটি ঝামেলা করার পরিকল্পনা করেছিল বলে অভিযোগ করেছেন মো. রাশেদ খাঁন
  • 📌 রাতের বেলা মতিঝিলে লাঠিসোটা জড়ো হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি
  • 📌 জামায়াতের বহরে শীর্ষ নেতারা উসকানিমূলক স্লোগান দিয়েছেন, যেমন 'হৈ হৈ রৈ রৈ, ছাত্রদল, যুবদল গেলি কই'
  • 📌 রাশেদ খাঁন দাবি করেছেন, জামায়াত এনসিপিকে মুখপাত্র হিসেবে ব্যবহার করে রাজনৈতিক খেলা খেলছে
  • 📌 তিনি বলেছেন, জামায়াতের জোটসঙ্গীরা বিএনপি থেকে কম আসন পেলে দল পরিবর্তন করতে পারে
  • 📌 জামায়াতের নেতাকর্মীদের সতর্ক করে রাশেদ খাঁন বলেছেন, 'একদিন আপনারাই বলবেন, দুধকলা দিয়ে কালসাপ পুষলাম'

📰 বিস্তারিত

মো. রাশেদ খাঁন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, জামায়াতের লংমার্চে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হলেও দলটির 'পরিকল্পিতভাবে ঝামেলা করার প্ল্যান ছিল'। তিনি বলেন, 'যেহেতু তারা সহযোগিতা চেয়েছিল, পুলিশ প্রটেকশন দিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত জামায়াতের গাড়িবহর নিয়ে যায়। সহযোগিতা না চাইলেও পুলিশ একই ধরনের নিরাপত্তা প্রদান করত'।

রাশেদ খাঁন আরও উল্লেখ করেছেন, জামায়াতের বহরে শীর্ষ নেতারা উসকানিমূলক স্লোগান দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, 'হৈ হৈ রৈ রৈ, ছাত্রদল, যুবদল গেলি কই'-এ ধরনের স্লোগান দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, সবকিছু দেখে অনেকের মনে হয়েছে, এটি জামায়াতের ব্যবস্থাপনা, অর্থায়ন ও জনবলে এনসিপির লংমার্চ।

রাশেদ খাঁন দাবি করেছেন, জামায়াত সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চায় না। তিনি বলেন, 'এ কারণে এনসিপির নেতাদের সামনে রেখে এবং আওয়ামী লীগকে পেছনে রেখে মাঝখান থেকে রাজনৈতিক খেলায় নামতে চায় দলটি'। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, জামায়াত-শিবিরের অনেক নেতাকর্মী ও অ্যাক্টিভিস্ট এনসিপিকে জামায়াতের মুখপাত্র বানানোর বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না।

জামায়াতের জোটসঙ্গীদের নিয়ে তিনি বলেছেন, 'এনসিপি ২০৩১ সালের জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে এবং বিভিন্ন বিদেশি সংস্থা ও শক্তি তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে'। তিনি দাবি করেছেন, জামায়াত যাদের ওপর ভরসা রেখে অর্থ খরচ করছে, তাদেরই একদিন জামায়াতকে ধাক্কা দিতে পারে।

"পরিকল্পিতভাবে একটা ঝামেলা করার প্ল্যান ছিল জামায়াতের। রাতের বেলা মতিঝিলে লাঠিসোটা জড়ো করেছিল। জানি না, এই লাঠিগুলো পরে বহরের গাড়িতে তোলা হয় কি না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মতিঝিল), চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রাশেদ খাঁন, জামায়াতের শীর্ষ নেতারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ সেপ্টেম্বর (তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖