📌 জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, ইউপি নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে অধিকাংশ ইউনিয়নে। দলটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবং নারী কর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করছে
জামায়াত ইসলামী ইউপি নির্বাচনের প্রস্তুতি ত্বরান্বিত করছে। দলের নেতা-কর্মীরা স্থানীয় পর্যায়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন, যদিও নির্বাচন কমিশন ও সরকারের মধ্যে তফসিল ঘোষণার বিষয়ে দ্বন্দ্বের আশঙ্কা রয়েছে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানান, নির্বাচন কমিশন ও সরকারের মধ্যে তফসিল ঘোষণার বিষয়ে দ্বন্দ্বই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬০-৭০% ইউনিয়নে প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে জামায়াতের, বাকিগুলো শিগগিরই শেষ হবে
- 📌 সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয় নিয়োগের কারণে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতার আশঙ্কা করছে
- 📌 প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বৃক্ষরোপণ, সেলাই মেশিন বিতরণসহ কর্মসূচি চালাচ্ছে দলটি
- 📌 নারী কর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করে জামায়াত, বিশেষ করে গ্রাম-মহল্লায় প্রচারণা চালাচ্ছে
- 📌 ১১টি দলীয় কর্মকর্তা স্থানীয় পর্যায়ে প্রচার চালাচ্ছেন, প্রতিটি ইউনিয়নে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করছে
📰 বিস্তারিত
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানান, নির্বাচন কমিশন ও সরকারের মধ্যে তফসিল ঘোষণার বিষয়ে দ্বন্দ্বই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন একভাবে আগায়, সরকার আরেক দিকে আগায়। এই দ্বন্দ্বই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় বাধা।” অন্যদিকে, দলটির আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয় নিয়োগের কারণে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ভাঙ্গার আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় লোক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে সুবিধা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন তাঁরা। এসব বিষয় সুষ্ঠু নির্বাচন, নিরপেক্ষতা এবং ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বজায় রাখার ক্ষেত্রে বড় হুমকি।”
জামায়াতের সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের প্রচারে তাঁদের সামনে রাখা হয়েছিল, যাঁদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বাছাই করা হয়েছিল। সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে প্রচারের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে অধিকাংশ জায়গায় প্রার্থী চূড়ান্ত করার কাজ শেষ হয়েছে। বাকিগুলোর প্রার্থীও শিগগির চূড়ান্ত হবে।
প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির জন্য জামায়াতের নেতা-কর্মীরা স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছেন। উঠান বৈঠক, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল এলাকায় পথসভা, গণজমায়েত এবং লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে। এ ছাড়া প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজন, সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা এবং নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণের মতো কর্মসূচিও পালন করছেন দলটির নেতা-কর্মীরা।
"নির্বাচন কমিশন একভাবে আগায়, সরকার আরেক দিকে আগায়। এই দ্বন্দ্বই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় বাধা।"
"সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় লোক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে সুবিধা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন তাঁরা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন, পৌরসভা ও মহানগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হামিদুর রহমান আযাদ, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, নুরুন্নিসা সিদ্দিকা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০-৭০% ইউনিয়নে প্রার্থী চূড়ান্ত, ১১টি দলীয় কর্মকর্তা স্থানীয় প্রচার চালাচ্ছেন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!