📌 সরকারের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দাবি করেছেন, জামায়াতের নেতাকর্মীদের উসকানি দিয়ে সার সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। বিএনপি-প্রধান এলাকায় কোনো সংকট ছিল না, কিন্তু জামায়াত-প্রধান এলাকাগুলোতে কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করা হয়েছিল। তিনি বলেছেন, সরকারের সার আমদানি পরিকল্পনা সফল হলে আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বর পর্যন্ত সংকট থাকবে না
সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দাবি করেছেন, জামায়াতের নেতাকর্মীদের উসকানি দিয়ে সার সংকটের কৃত্রিম পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, বিএনপি-প্রধান এলাকাগুলোতে সারের কোনো প্রকৃত সংকট ছিল না, কিন্তু জামায়াত-প্রধান এলাকাগুলোতে কৃত্রিমভাবে সংকট সৃষ্টি করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মীর শাহে আলম দাবি করেছেন, জামায়াতের নেতাকর্মীদের উসকানি দিয়ে সার সংকটের কৃত্রিম পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।
- 📌 কুড়িগ্রামসহ ৭টি এলাকায় (রংপুর, কুষ্টিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মেহেরপুর, নড়াইল, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা) সার সংকটের কথা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যেখানে জামায়াতের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।
- 📌 বিএনপি-প্রধান এলাকাগুলোতে কোনো সার সংকট ছিল না, কিন্তু জামায়াত-প্রধান এলাকাগুলোতে কৃত্রিমভাবে সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিমন্ত্রী।
- 📌 সরকারের সার আমদানি পরিকল্পনা সফল হলে আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বর পর্যন্ত সার সংকট থাকবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।
- 📌 বিরোধী দলের রংপুরের কর্মসূচি নিয়ে সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের সমাধানে সরকার কাজ করছে।
📰 বিস্তারিত
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দল এবং বিগত সরকারের সময়ে নিয়োগ পাওয়া কিছু ডিলার জড়িত ছিলেন। তিনি দাবি করেছেন, সারের সংকটের কথা যখন বলা হয়েছিল, তখন দেশের কোথাও প্রকৃত অর্থে সারের ঘাটতি ছিল না।
মীর শাহে আলম বলেন, সারের সংকটের কথা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এমন এলাকাগুলোর মধ্যে কুড়িগ্রাম, রংপুর, কুষ্টিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মেহেরপুর, নড়াইল, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা রয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, এসব এলাকায় জামায়াতের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে এমন এলাকায় সারের সংকট নিয়ে কোনো আন্দোলন হয়নি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিকভাবে বিএনপিকে জনগণের কাছে বিভ্রান্ত ও হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট এলাকাগুলোতে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল।
প্রশাসন ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, আগামীতে দেশে সারের সংকট হবে না। দেশের চাহিদার তুলনায় প্রায় দেড় গুণ সার আমদানির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং বাফার ও সাধারণ গুদামগুলোতেও নভেম্বর-ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সার মজুদ রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বিরোধী দলের সাম্প্রতিক রংপুরের কর্মসূচির সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ, তেল ও জ্বালানি নিয়ে বিরোধী দল রংপুরে লংমার্চ করেছে। তবে তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেটিকে রোডমার্চ বলা উচিত ছিল। তিনি বলেন, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা নিজেই স্বীকার করেছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সমস্যা সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। একই সঙ্গে সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
"সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দল এবং বিগত সরকারের সময়ে নিয়োগ পাওয়া কিছু ডিলার জড়িত ছিলেন। সারের সংকটের কথা যখন বলা হয়েছিল, তখন দেশের কোথাও প্রকৃত অর্থে সারের ঘাটতি ছিল না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুড়িগ্রাম, রংপুর, কুষ্টিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মেহেরপুর, নড়াইল, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ সেপ্টেম্বর, ১১:২৭ টা, ৭টি এলাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!