📌 জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং মামলায় ডিবি তিনবার ডিভাইস চেয়ে চিঠি দিয়েছে, কিন্তু জামায়াত নেতা নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ডিভাইস দিতে অস্বীকার করছেন। আদালতের অনুমতি নিয়ে ফরেনসিক পরীক্ষা করার জন্য ডিভাইস জব্দের দাবি করা হলেও এখনো তা হস্তান্তর হয়নি
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের অভিযোগে মামলায় ডিবি তদন্তের জন্য তিনবার ডিভাইস চেয়ে চিঠি দিয়েছে, কিন্তু জামায়াত নেতা নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ডিভাইস হস্তান্তর করতে অস্বীকার করছেন। ঢাকার আদালতের অনুমতিতে ফরেনসিক পরীক্ষা করার জন্য ডিভাইস জব্দের দাবি করা হলেও এখনো তা হস্তান্তর হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং মামলায় ডিবি তিনবার ডিভাইস চেয়ে চিঠি দিয়েছে, কিন্তু জামায়াত নেতা নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ডিভাইস দিতে অস্বীকার করছেন।
- 📌 আদালতের অনুমতি নিয়ে ডিবি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ডিভাইস জব্দের আবেদন মঞ্জুর করেছে, তবে এখনো ডিভাইস হস্তান্তর হয়নি।
- 📌 মামলার বাদী সিরাজুল ইসলাম জানান, ডিভাইস দিতে তাঁরা অস্বীকার করেননি, তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। নিজেদের উপস্থিতিতে ডিভাইস পরীক্ষা করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
- 📌 ডিবির তদন্ত কর্মকর্তা হাফিজুল ইসলাম বলেন, বাদীপক্ষের কাছে কমপক্ষে তিনবার চিঠি দিয়ে ডিভাইস ও তথ্য চাওয়া হয়েছে, কিন্তু এখনো তা দেওয়া হয়নি।
- 📌 মামলার আসামি ছরওয়ারে আলমের ডিভাইস জব্দ করা হলেও ফরেনসিক প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি।
📰 বিস্তারিত
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের অভিযোগে মামলায় ডিবি তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে। ঢাকা মহানগর ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম-দক্ষিণ ইউনিটের তদন্ত কর্মকর্তারা মামলার বাদী সিরাজুল ইসলামের কাছে ডিভাইস ও অন্যান্য প্রমাণ চেয়ে অন্তত তিনবার চিঠি দিয়েছেন। তবে বাদীপক্ষ এখনো ডিভাইস হস্তান্তর করেনি।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ডিভাইসের ফরেনসিক পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে কখন, কোথা থেকে ও কীভাবে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া যেতে পারে। লগইন বা সেশন-সংক্রান্ত তথ্য এবং ম্যালওয়্যার কিংবা ফিশিংয়ের আলামতও পাওয়া যেতে পারে। তবে ডিভাইস না পাওয়ায় তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।
মামলার বাদী সিরাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ডিবির চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা দুবার ডিবির সঙ্গে দেখা করেছি। আমরা ডিভাইস দিচ্ছি না, বিষয়টা এমন নয়। আমরা ডিভাইস ও নিরাপত্তা সুরক্ষা নিয়ে চিন্তিত। এটা নিয়ে আমরা আলাপ করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘তো বিরোধীদলীয় নেতা। তাঁরা তদন্তে সহযোগিতা না করলে আমার তো এভাবেই ঝুলে থাকতে হবে। আমি সুবিচার চাই। সঠিক তদন্ত হলে আমি সুবিচার পাব। আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই এ ঘটনার সঙ্গে।’
মামলার আসামি ছরওয়ারে আলমের ব্যবহৃত মুঠোফোন, ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ জব্দ করা হলেও ফরেনসিক প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি। ছরওয়ারে আলম জানান, তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যবহৃত কিছু ডিভাইসও জব্দ করা হয়েছিল, কিন্তু তল্লাশি চালিয়ে প্রায় এক মাস পর সেগুলো ফেরত দেওয়া হয়।
"আমরা ডিভাইস দিচ্ছি না, বিষয়টা এমন নয়। আমরা ডিভাইস ও নিরাপত্তা সুরক্ষা নিয়ে চিন্তিত। এটা নিয়ে আমরা আলাপ করেছি।"
আদালতের সূত্র জানায়, গত ৬ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিভাইস জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষার আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। আগামী ৩ নভেম্বর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে। তবে বাদীপক্ষের ডিভাইস এখনো না পাওয়ায় তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুর রহমান (জামায়াত আমির), সিরাজুল ইসলাম (বাদী), হাফিজুল ইসলাম (ডিবি এডিসি), ছরওয়ারে আলম (মামলার আসামি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ বার চিঠি, ৬ এপ্রিল (আদালতের অনুমতি), ৩ নভেম্বর (তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!