📌 পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের আকস্মিক পদত্যাগের ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সরকারের দুরভিসন্ধি উদ্বেগ প্রকাশ করে। তারা রাজনৈতিক স্বার্থে প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যবহার করা হলে রাজপথে প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এর চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ধারাবাহিক পদত্যাগের ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সরকারের দুরভিসন্ধি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) একটি যৌথ বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সরকারের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, পিএসসিকে দলীয় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, রাজনৈতিক স্বার্থে এই প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করা হলে ছাত্র-জনতা আবারও রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের আকস্মিক পদত্যাগের ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সরকারের দুরভিসন্ধি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
- 📌 ৫৪ বছরের ইতিহাসে পিএসসিকে বারবার রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রশিবিরের নেতারা।
- 📌 জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম চেতনা ছিল মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গঠন, কিন্তু পিএসসিতে আবারও দলীয় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছেন তারা।
- 📌 একজন মন্ত্রী পিএসসির সদস্যদের ডেকে রাজনৈতিক সরকারের ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পিএসসির জন্য অপছন্দনীয় বলে উল্লেখ করেছেন ছাত্রশিবির।
- 📌 ছাত্রশিবিরের নেতারা বলেছেন, পিএসসিকে দলীয়করণের চেষ্টা জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও রাষ্ট্র সংস্কারের অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
- 📌 তারা দাবি করেছেন, পিএসসিকে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও গতিশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য জুলাই সনদের আলোকে সংস্কারের দাবি জানিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ একটি যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই কৌশলে পদত্যাগের চাপ দেওয়া হচ্ছে। তারা বলেছেন, এই পদক্ষেপ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা আরও উল্লেখ করেছেন, উচ্চ আদালত, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও মাঠ প্রশাসনের শীর্ষ পদে মেধা ও জ্যেষ্ঠতা উপেক্ষা করে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগের ঘটনা পিএসসির সংস্কারের দাবিকে আরও জোরদার করেছে।
ছাত্রশিবিরের নেতারা বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান চেতনা ছিল মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গঠন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আমূল সংস্কার। কিন্তু জুলাই সনদের আলোকে পিএসসিকে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও গতিশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ না নিয়ে সেখানে আবারও দলীয় ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, ক্ষমতা সুসংহত করতে স্বাধীন ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে কি না।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একজন মন্ত্রী পিএসসির সদস্যদের ডেকে রাজনৈতিক সরকারের ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ছাত্রশিবিরের নেতারা বলেছেন, কোনো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কোনো মন্ত্রীর পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নয়। পিএসসিকে রাজনৈতিক সরকারের ইচ্ছা পূরণের হাতিয়ারে পরিণত করার অধিকার কারোর নেই। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া পিএসসিতে কোনো দলীয় ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।
"প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া পিএসসিতে কোনো দলীয় ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। রাজনৈতিক স্বার্থে প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হলে ছাত্র-জনতা আবারও রাজপথে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নূরুল ইসলাম (সভাপতি), সিবগাতুল্লাহ (সেক্রেটারি জেনারেল), ছাত্রশিবিরের নেতারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪ বছর (পিএসসির ইতিহাস), ১৮ অক্টোবর (বিবৃতির তারিখ), ০৭:২৭ এএম (প্রকাশনার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!