📌 মাদকবিরোধী অভিযানের ভিডিও নিয়ে বিতর্কের মধ্যে ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেছেন, দল ও সরকার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে না পড়ার জন্য পদত্যাগ করেছেন। তবে মাদক নির্মূলের কাজ অব্যাহত রাখবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে আলোচনার পর
মাদকবিরোধী অভিযানের ভিডিও নিয়ে বিতর্কের মধ্যে ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি জানান, দল ও সরকার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে না পড়ার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পদত্যাগের কারণ: মাদকবিরোধী অভিযানের ভিডিওতে অস্ত্র হাতে থাকার বিষয়টি বেশি আলোচিত হওয়ায় দল ও সরকার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে না পড়ার জন্য ইশরাক হোসেন পদত্যাগ করেছেন।
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইশরাকের পদত্যাগের সিদ্ধান্তে সম্মত হন।
- 📌 মাদক নির্মূলের কাজ অব্যাহত: ইশরাক হোসেন বলেন, মাদক নির্মূলের কাজ বন্ধ করবেন না। তিনি ঢাকা-৬ আসন ও আশপাশের এলাকায় মাদকের সরবরাহব্যবস্থা চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে চান।
- 📌 অভিযানের বৈধতা: তিনি দাবি করেন, অভিযানে পুলিশ উপস্থিত ছিল এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছিল। নিজের নিরাপত্তার জন্য বৈধভাবে অস্ত্র ব্যবহার করেছিলেন বলে জানান তিনি।
- 📌 বৈধতা ও সমালোচনা: ইশরাক বলেন, অভিযানের ভিডিওতে অতিরঞ্জিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। তিনি মাদক নির্মূলের উদ্যোগকে সমর্থন করার আহ্বান জানান।
📰 বিস্তারিত
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন ঘোষণা দেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করছি, আমার এই মাদকবিরোধী অভিযান কেবল শুরু হলো, এটি চলমান থাকবে। যত দিন চলবে, আমার কারণে যেন আপনার কোনো কর্মকাণ্ড ম্লান হয়ে না যায়, ঢাকা না পড়ে যায়, আমার দল যেন কোনো কারণে বিব্রত না হয়।’
ইশরাক হোসেন জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী এতে সম্মতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলাম। সেদিন সেখানে জঙ্গি দমন করতে যাইনি, চাঁদা তুলতেও যাইনি।’ তিনি দাবি করেন, অভিযানে পুলিশ উপস্থিত ছিল এবং মাদকদ্রব্যসহ অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছিল।
ইশরাক হোসেন মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর ও মুন্সিরটেক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচা চলছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের পর তিনি পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। এর ধারাবাহিকতায় সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘কাউকে নিজের হাতে শাস্তি দেওয়া নয়, বরং আইন অনুযায়ী বিচারের মুখোমুখি করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য।’
ইশরাক হোসেন অভিযানের ভিডিও ও সংবাদ প্রকাশের ধরন নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘কিছুটা সত্য, কিছুটা অতিরঞ্জন এবং কল্পকাহিনির মাধ্যমে তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এতে মাদকবিরোধী অভিযানের মূল উদ্দেশ্য আড়ালে চলে গেছে এবং দল ও সরকার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে।’
"আমি সেদিন সেখানে জঙ্গি দমন করতে যাইনি, চাঁদা তুলতেও যাইনি। মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, জাতীয় প্রেস ক্লাব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইশরাক হোসেন (ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (ঢাকা-৬ আসন), ১৯ (অক্টোবর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!