📌 ভারত সরকার বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলতে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করছে এবং আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে সক্রিয় করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা দাবি করছেন। সীমান্ত হত্যা ও পুশইন চেষ্টা সম্পর্ক উন্নয়নের বার্তা দেয়ার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করা হয়েছে
ভারত বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলতে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগকে সক্রিয় করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা দাবি করছেন। এই ‘ডাবল গেম’ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক রহমত উল্লাহ বলেছেন, ভারত একদিকে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্কের কথা বলছে, অন্যদিকে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বর্তমান নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারত সরকার বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলতে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করছে বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন
- 📌 শেখ হাসিনার বক্তব্য ও এনডিটিভির সাক্ষাৎকারের পর ভারতের ‘ডাবল গেম’ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে
- 📌 সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহবুব হাসান সালেহ বলেছেন, ৫ আগস্টের দিল্লির ঘটনাটি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করেছে
- 📌 বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, ভারতের এই কৌশল বাংলাদেশে জঙ্গি কার্যক্রম বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে
📰 বিস্তারিত
চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যাওয়ার পর থেকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে উত্তেজনা বাড়ছে। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বারবার দেওয়া সম্পর্ক উন্নয়নের বার্তা মাঠের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। কখনও সীমান্ত হত্যা, কখনও পুশইন চেষ্টা — এই উত্তেজনায় আরো জোর দিয়েছে শেখ হাসিনার ফরেন করেসপন্ডেন্ট ক্লাবের বক্তব্য ও এনডিটিভির সাক্ষাৎকার। বিশ্লেষক রহমত উল্লাহ বলেন, ভারত শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলছে। তিনি আরও বলেন, ভারতের উদ্দেশ্য হলো ডিসেম্বরের মধ্যে আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে সক্রিয় করা এবং সেই প্রেক্ষাপটে কিছু রাজনৈতিক সংকট তৈরি করা।
সাবেক কূটনীতিকরা বলছেন, ভারতের এই আচরণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে। সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহবুব হাসান সালেহ বলেন, ৫ আগস্টের দিল্লির ঘটনাটি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি দ্রুত সম্পর্ক স্বাভাবিক করার তাগিদ দিয়েছেন।
বিশ্লেষকরা আরও আশঙ্কা করছেন, ভারতের এই কৌশল বাংলাদেশে জঙ্গি কার্যক্রম বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে তার উগ্রবাদসংশ্লিষ্ট বক্তব্যকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে ভারতের এই পদক্ষেপের পিছনে সম্ভবত এই উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
"আমার কাছে মনে হয়, ভারতের একটি ডাবল গেম। ভারত একদিকে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ, সৌহার্দ্যপূর্ণ একটি সম্পর্কের কথা বলছে, অন্যদিকে ভারতে আশ্রয় নেয়া শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে তারা সংঘটিত করে বিভিন্নভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করা আওয়ামী লীগের জনশক্তিকে চাঙ্গা করার চেষ্টা করছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, দিল্লি, বাংলাদেশ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রহমত উল্লাহ, মাহবুব হাসান সালেহ, শেখ হাসিনা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!